এ বার চিন সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। চিনের সরকারি সংবাদসংস্থা ‘সিনহুয়া’ জানিয়েছে, শাহবাজ় ঝোজিয়াং প্রদেশে পৌঁছেছেন। তবে এর পরে পাক প্রধানমন্ত্রীর কী কী কর্মসূচি রয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। তবে চার দিন চিনে থাকবেন শাহবাজ়। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠক করার কথাও রয়েছে তাঁর।
আমেরিকা এবং ইরানের সংঘাতের অবসান ঘটাতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদেই প্রথম দফার শান্তিবৈঠক সারে আমেরিকা এবং ইরান। ওই বৈঠক ফলপ্রসূ না-হলে দু’দেশের মধ্যে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তান। মূলত তাদের মাধ্যমেই আমেরিকা এবং ইরান শান্তিপ্রস্তাব পাঠাচ্ছে। সেই আবহে পাক প্রধানমন্ত্রীর চিন সফর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মত কূটনৈতিক মহলের।
দিন কয়েক আগে চিন সফরে গিয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার পরে চিনে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তার পরেই চিন সফরে পাক প্রধানমন্ত্রী। তবে এই সফরে পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা নিয়ে কোনও আলোচনা হবে কি না, তা স্পষ্ট করেনি কোনও পক্ষই। তবে চলতি সপ্তাহের শুরুতে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন জানান, দু’দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি এ-ও জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে পাকিস্তান যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছে, তা সমর্থন করে চিন।
আরও পড়ুন:
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে বেজিং তুলনামূলক ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকা পালন করছে। ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলির দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে দেখা গিয়েছে চিনকে। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্প সফরেও উঠেছিল পশ্চিম এশিয়া প্রসঙ্গ। জিনপিঙের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, হরমুজ় প্রণালী পুনরায় সচল করতে সাহায্য করার প্রস্তাব দিয়েছে চিন।