Advertisement
E-Paper

প্রবল ঠান্ডায় এক কাপড়েই বন্দিরা 

আবহবিদেরা আশা করছেন, এই পোলার ভর্টেক্সের হাত ধরেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বসন্ত পা রাখতে পারে শীত-শহরে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৬:৪৪
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

গত কয়েক দিন ধরেই মেরু ঘূর্ণাবর্ত বা পোলার ভর্টেক্সের জেরে ঠান্ডায় কাঁপছে মার্কিন মুলুক। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে হিমাঙ্কের নীচে। জারি রয়েছে ভারী তুষারপাত। ইতিমধ্যে ঠান্ডায় অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ শতাধিক। তবে আবহবিদেরা আশা করছেন, এই পোলার ভর্টেক্সের হাত ধরেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বসন্ত পা রাখতে পারে শীত-শহরে।

ব্রুকলিনের একটি জেলখানায় গত কয়েক দিন ধরেই ভয়াবহ ঠান্ডায় দিন কাটছে সেখানকার বন্দিদের। গত শুক্রবার সন্ধেয় সানসেট পার্কের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) নামে ১৪তলা উঁচু ওই জেলখানার প্রতিটি জানলায় টর্চের আলো জ্বলতে-নিভতে দেখা যায়। যাতে পথচারীদের চোখে পড়ে ওই বিপদসঙ্কেত। অন্তত পক্ষে ১৬০০ জন বন্দি রয়েছেন ওই জেলখানাটিতে। নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের সদস্য জাস্টিন ব্রেনান সেই ঘটনাটি রেকর্ড করেন। মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বন্দিদের আইনজীবীদের অভিযোগ, জেলে বন্দিদের জন্য অতিরিক্ত কম্বলের ব্যবস্থা নেই। পোশাক নেই, নেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও। গরম জলের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিদ্যুৎটুকুও নেই। জেনারেটর চালিয়ে কোনও মতে কাজ চালানোর চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই এমডিসি-বন্দিদের জন্য আন্দোলনে নেমেছেন বহু সমাজকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এ নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষের জবাবও দাবি করেছেন কাউন্সিল সদস্য ব্রেনান।

জেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, বিদ্যুতের এই অবস্থা তাৎক্ষনিক। কাজ চলছে। খুব শিগগির মিটে যাবে বলে আশ্বাসও দেন। গত শুক্রবার কংগ্রেসের এক সদস্যা জেল পরিদর্শনের পরে জানান, সামান্য কিছু গরম জলের ব্যবস্থা থাকলেও তা সমস্ত বন্দিদের জন্য যথেষ্ট নয়। তা ছাড়া, বন্দিদের সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে প্রত্যেক বন্দির কাছে কম্বল রয়েছে কিনা তা-ও বলা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগে রয়েছে বন্দিদের পরিবারও।

Brooklyn Cold ব্রুকলিন
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy