কিভ ও খারকিভের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে আটকে থাকা অধিকাংশ ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও পূর্ব ইউক্রেনের সুমি শহরে এখনও আটক বহু। অন্তত ৭০০ জন ভারতীয় সেখানে আটকে রয়েছেন সেখানে। আপাতত তাঁদের উদ্ধার করাই প্রধান লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে। তবে রবিবার গোটা ইউক্রেন জুড়েই লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উদ্ধারকার্য জারি রাখা সম্ভব হয়নি বলে ওই সূত্রের দাবি।
ইউক্রেনে আটকে পড়া পড়ুয়াদের উদ্ধারকাজের সঙ্গে যুক্ত ওই সূত্র জানান, মূল শহরগুলিতে সাময়িক ভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার জন্য রাশিয়া এবং ইউক্রেন দুই দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। কিন্তু বিশেষ সাড়া মিলছে না। যার ফলে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।
শনিবার সুমিতে আটকে থাকা বহু পড়ুয়া নেটমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তাঁরা হেঁটে রাশিয়ার সীমান্তে পৌঁছনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু পরিস্থিতি প্রতিকূল হওয়ায় তাঁদের বাইরে বেরোতেই নিষেধ করা হয়েছে।
এরই পাশাপাশি, ইউক্রেনের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, খারকিভের পিসোচিন গ্রামে আটকে থাকা ৪৪ জন ভারতীয় ইতিমধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের দিকে রওনা দিয়েছেন।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ইউক্রেনে রুশ সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭৬টি বিমান পাঠিয়ে ১৫ হাজার ৯২০ জন ভারতীয় পড়ুয়াকে ওই দেশ থেকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।