Advertisement
E-Paper

কপালে তিলক কেটে ক্লাসে! লন্ডনে আট বছরের শিশুকে স্কুল ছাড়তে বাধ্য করা হল, ব্যাখ্যাও চান কর্তৃপক্ষ

ওই সংগঠনের অভিযোগ, শিশুটি কপালে তিলক পরেছিল বলে টিফিনের সময়ও তার উপর নজর রেখে চলেছিলেন প্রধানশিক্ষক। এমন ভাবে তিনি তাকিয়ে ছিলেন যে, শিশুটি তাতে ভয় পেয়ে যায়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৫৮

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

কপালে তিলক পরায় লন্ডনে এক ছাত্রকে স্কুল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কেন তিলক পরেছে, তা আট বছরের ওই শিশুটিকে ব্যাখ্যা করতে বলেছিলেন ভিকার’স গ্রিন প্রাইমারি স্কুলের কর্মীরা। এমনটাই দাবি করেছে ব্রিটিশ হিন্দু এবং প্রবাসী ভারতীয়দের সংগঠন ‘ইনসাইট ইউকে’। তাদের মতে, আট বছরের একটি শিশুর থেকে এ ভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া ‘অনুচিত’।

ওই সংগঠনের অভিযোগ, শিশুটি কপালে তিলক পরেছিল বলে টিফিনের সময়ও তার উপর নজর রেখে চলেছিলেন প্রধানশিক্ষক। এমন ভাবে তিনি তাকিয়ে ছিলেন যে, শিশুটি তাতে ভয় পেয়ে যায়। সে বাকি সঙ্গীদের খেলাধুলো থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। সংগঠনের আরও অভিযোগ, শিশুটিকে স্কুলে যে সব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, ধর্মাচরণের জন্য সে সব থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা ব্রিটেনের ২০১০ সালের সাম্য আইনের পরিপন্থী হবে।

ব্রিটেনের ওই সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, আট বছরের শিশুটির সঙ্গে স্কুলে যা ঘটেছে, তাতে তার মনের উপর স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তারা জানিয়েছে, ওই শিশুটির বাবা-মা এবং স্কুলে অন্যান্য হিন্দু পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা স্কুল কর্তৃপক্ষকে বোঝানের চেষ্টা করেছিলেন যে, তিলক কেন পরা হয়। সেটি আসলে কী। ওই অভিভাবকদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কান দিতে চাননি। সংগঠনের অভিযোগ, এর আগেও ধর্মাচরণের জন্য অন্তত চার জনকে ওই স্কুল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy