E-Paper

ভাইরাস আক্রান্ত জাহাজ থেকে অবশেষে উদ্ধার শুরু

গত মাসে আর্জেন্টিনার কেপ ভার্দে থেকে জাহাজটি যাত্রা শুরু করে। মাঝ সমুদ্রেই বেশ কয়েক জন যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। মারা যান তিন জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) বক্তব্য অনুযায়ী, যাত্রীদের হান্টা ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ০৯:৪৯

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

স্পেনের ক্যানারি দ্বীপের তেনেরিফ বন্দরে নোঙর ফেলেছে এমভি হান্ডিয়াস প্রমোদতরী। এই জাহাজের কয়েক জন যাত্রী হান্টা ভাইরাসের সংক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভারতীয় সময় আজ দুপুর থেকে যাত্রীদের জাহাজ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, প্রত্যেক যাত্রীই উপসর্গহীন। তাসত্ত্বেও সর্বোচ্চ সাবধানতা গ্রহণকরা হয়েছে। ওই জাহাজে সওয়ার দুই ভারতীয় নাগরিকও সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছে মাদ্রিদে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

গত মাসে আর্জেন্টিনার কেপ ভার্দে থেকে জাহাজটি যাত্রা শুরু করে। মাঝ সমুদ্রেই বেশ কয়েক জন যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। মারা যান তিন জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) বক্তব্য অনুযায়ী, যাত্রীদের হান্টা ভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে। এই ভাইরাসের সংক্রমণ হয় অসুস্থ ইঁদুরের মল-মুত্র থেকে। তবে একই সঙ্গে তাদের দাবি, এই ভাইরাস করোনার মতো বিপজ্জনক নয়। যাত্রীদের জাহাজ থেকে বার করে আনার প্রক্রিয়া এবং তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সরাসরি তত্ত্বাবধানকরবে তারা।

এমভি হান্ডিয়াসে বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা ছিলেন। প্রথমে ট্রিস্টান ডি কুনহা দ্বীপে এক ব্রিটিশ যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ব্রিটেনের সেনা তাঁকে হেলিকপ্টারে করে উড়িয়ে নিয়ে যায়। আজ জাহাজটি তেনেরিফে পৌঁছনোর পরে শুরুতে ছোট নৌকায় করে স্পেনের নাগরিকদের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। নৌকায় নীল জ্যাকেট ও সার্জিক্যাল মাস্ক পরে পরস্পরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে বসেছিলেন তাঁরা। স্পেনের নাগরিকদের সরানোর পরে অন্যান্য দেশের (নেদারল্যান্ডস, গ্রিস, জার্মানি, ব্রিটেন এবং আমেরিকা) যাত্রীদের ডাঙায় নিয়ে আসা শুরু হয়েছে। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিমানবন্দরে। যাত্রীদের পরের গন্তব্য নিজেদের দেশ। বিশেষ বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁদের।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Virus Rescue Operation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy