Advertisement
১৬ জুলাই ২০২৪

ব্রেক্সিট ভোটে ফের হার টেরেসার

এ বারও সমর্থন জুটল না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-র প্রস্তাবিত ও সংশোধিত ব্রেক্সিট চুক্তি ফের খারিজ করে দিলেন ব্রিটিশ এমপি-রা।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। -ফাইল ছবি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। -ফাইল ছবি।

শ্রাবণী বসু
লন্ডন শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৯ ০১:৪২
Share: Save:

এ বারও সমর্থন জুটল না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে-র প্রস্তাবিত ও সংশোধিত ব্রেক্সিট চুক্তি ফের খারিজ করে দিলেন ব্রিটিশ এমপি-রা। মঙ্গলবার সন্ধেবেলা (ভারতীয় সময় গভীর রাতে) ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে দেখা গেল, টেরেসার বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৩৯১টি। আর তাঁর সমর্থনে মাত্র ২৪২টি। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী জানালেন, আগামিকাল পার্লামেন্টে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট নিয়ে ভোটাভুটি হবে। তখনই ঠিক হয়ে যাবে, ২৯ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে ব্রিটেনের হাতে আদৌ কোনও চুক্তি থাকছে কি না।

প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে দাবি করেছিলেন, তাঁকে যে রকম বলা হয়েছিল, সে রকম ভাবেই সংশোধন করেছেন ব্রেক্সিট চুক্তি। তাঁর আশা ছিল, এ বার আর তাঁকে ফেরাবেন না ব্রিটিশ এমপি-রা। কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলছে। এমপি-দের এই রায়ের ফল বলে দিচ্ছে, ইইউয়ের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ দু’মাস অসংখ্য বৈঠকে কাজের কাজ বিশেষ হয়নি।

গত ১৬ জানুয়ারি পার্লামেন্টে প্রথম ব্রেক্সিট চুক্তি পেশ করেছিলেন টেরেসা। কিন্তু সে বার তিনি শোচনীয় ভাবে হেরে যান। প্রধানমন্ত্রীকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয় দ্রুত চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পাল্টানো হোক। না হলে এই চুক্তি পাশ হবে না। সংশোধিত চুক্তিতে অনুমোদন জোগাড় করতে দু’মাস ধরে ক্রমাগত ইইউ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। কাল রাতেও স্ট্রাসবুর্গে ইইউ প্রধানদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেন। সংশোধিত চুক্তিতে সায় দিয়েছিল ইইউ, তবে একটি শর্তে— দু’বছরের মধ্যে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে স্পষ্ট বাণিজ্য নীতি তৈরি করতে হবে ব্রিটেনকে। ইইউয়ের সেই সবুজ সঙ্কেত হাতিয়ার করেই ভোট ময়দানে নেমেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাতেও কিছু লাভ হল না।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE