Advertisement
E-Paper

বিশ্বের প্রথম লক্ষ কোটি ডলার-পতি! মাস্কের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লায় অম্বানী, আদানি, বিড়লারা কে কোথায় দাঁড়িয়ে?

ইলনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি ল্যারি পেজ়। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২৯, ৪০০ কোটি ডলার। তার পর রয়েছেন সার্জে ব্রিন (২৭১০০ কোটি ডলার), জেফ বেজ়স (২৪৮০০ কোটি ডলার) এবং ল্যারি এলিসন (২৩১০০ কোটি ডলার)।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ১৬:৪২

রেখাচিত্র: শৌভিক দেবনাথ।

গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি হিসাবে টানা তিনি-ই ছিলেন। তবে এত দিন ইলন মাস্ক ছিলেন বিলিয়নেয়ার। এ বার তিনি ট্রিলিয়নেয়ার বা লক্ষ কোটিপতি। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি ডলার! এর আগে কোনও ব্যক্তির এমন নজির নেই। মাস্কের ১.০৫ ট্রিলিয়ন ডলারের মোট সম্পদ বেশ কয়েকটি দেশের বার্ষিক উৎপাদনের সমান। আর এ দেশের তামাম ধনীরা বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তির কাছে নিতান্তই চুনোপুঁটি।

ইলনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি ল্যারি পেজ়। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২৯,৪০০ কোটি ডলার। তার পর রয়েছেন সার্জে ব্রিন (২৭,১০০ কোটি ডলার), জেফ বেজ়স (২৪,৮০০ কোটি ডলার) এবং ল্যারি এলিসন (২৩,১০০ কোটি ডলার)।

বিশ্বের ধনীদের তালিকায় ভারতের বেশ কয়েক জন বিত্তশালীও রয়েছেন। তবে ইলনের কাছে তাঁরা ‘গরিব’। যেমন ফোর্বসের তালিকায় ভারতের ধনীতম ব্যক্তি মুকেশ অম্বানী রয়েছেন ১৬ নম্বরে। তাঁর সম্পদের পরিমাণ এখন ৮,৮০০ কোটি ডলার। গৌতম আদানির ৯,২০০ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। দেশের অন্যতম ধনী পরিবার জিন্দলদের আছে ৩,৮০০ কোটি, মিত্তল পরিবারের সম্পদ ৩,৪০০ কোটি, শিব নদরের সম্পদ ২,৫০০ কোটি ডলার। কুমার মঙ্গলম বিড়লার সম্পদ ২,৭০০ কোটি ডলার। টাটা গোষ্ঠীর মোট সম্পদ ৩০,০০০ কোটি। আবার ভারতের সবচেয়ে দামি বাড়ি মুকেশ অম্বানীর অ্যান্টিলার মূল্য ২০০ কোটি ডলার। এঁদের সকলের সম্পদ জুড়লেও স্পেস-এক্সের মালিক ধরাছোঁয়ার বাইরে।

বিভিন্ন দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের বা জিডিপি-র সঙ্গে ইলনের মোট সম্পদের তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ১৬০টি দেশের জিডিপি-র চেয়েও বেশি সম্পদ রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (আইএমএফ)-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বের প্রথম ১০টি জিডিপি-র দেশ আমেরিকা (৩০ ট্রিলিয়ন ডলার), চিন (১৯ ট্রিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৫ ট্রিলিয়ন ডলার), জাপান (৪ ট্রিলিয়ন ডলার), ভারত (৪ ট্রিলিয়ন ডলার), ব্রিটেন (৩.৯৬ ট্রিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (৩.৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার), ইটালি (২.৫৪ ট্রিলিয়ন ডলার), রাশিয়া (২.৫৪ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং কানাডা (২.২৮ ট্রিলিয়ন ডলার)। এখন ইলনের সম্পদের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের প্রথম অর্থনীতির দেশের জিডিপি-র প্রায় ৩.৪ শতাংশই তাঁর। চিনের ক্ষেত্রে ৫.৪ শতাংশ এবং জার্মানির ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ। ইলনের সম্পদ জাপানের জিডিপি-র ২৪.৫ শতাংশ, ব্রিটেনের ২৬.৫ শতাংশ, ফ্রান্সের ৩১ শতাংশ, ইটালির ৪১ শতাংশ, রাশিয়ার ৪১ শতাংশ এবং কানাডার ৪২.৫৬ শতাংশ হবে। মাস্কের সম্পদ ভারতের ৪.১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির প্রায় এক-চতুর্থাংশের সমান।

ইলনের ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ ভারতের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ। হিসাব বলছে, পোল্যান্ড, সুইৎজ়ারল্যান্ডের মতো ১০টি দেশের জিডিপি-র সমান ইলনের একার সম্পত্তি। এর অর্থ, একজনের সম্পদ মোটামুটি ভাবে ওই দেশগুলির সমগ্র বার্ষিক উৎপাদনের সমান!

Elon Musk Elon Musk Property
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy