×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২১ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

প্রেসিডেন্ট ভোটে বাইডেনের জয় অনুমোদন কংগ্রেসের, মানলেন ট্রাম্পও

সংবাদ সংস্থা
ওয়াশিংটন ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ১৫:৩৪
জো বাইডেন— ফাইল চিত্র।

জো বাইডেন— ফাইল চিত্র।

হিংসার আবহেই শেষ হল আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট ভোটের আনুষ্ঠানিকতা পর্ব। বৃহস্পতিবার আমেরিকার কংগ্রেসের দুই কক্ষের (সেনেট এবং হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভস) যৌথ অধিবেশনে নির্বাচনী জয়ের শংসাপত্র পেলেন ‘প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট’ জো বাইডেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কমলা হ্যারিসের জয়কেও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকার আইনসভা।

বিদায়ী প্রেসিডেন্ট তথা গত ৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি নিয়ম মেনেই তা শেষ হবে।’’ দীর্ঘদিনের প্রথা মেনে আগামী ২০ জানুয়ারি আমেরিকার ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন বাইডেন।

জর্জিয়ার দু’টি আসনে বুধবারই আমেরিকার কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গিয়েছিল বাইডেনের দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের জমানা থেকেই কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। এই আবহে ইলেক্টোরাল কলেজের ৫৩৮টি ভোটের মধ্যে ৩০৬টি পাওয়া বাইডেনের শংসাপত্র পাওয়ার বিষয়টি ছিল নেহাতই নিয়মরক্ষা। কিন্তু বুধবার ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে উন্মত্ত ট্রাম্প সমর্থকদের হামলা এবং ৪ জনের প্রাণহানির ঘটনার জেরে পুরো বিষয়টি নিয়ে সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এক সময় নিরাপত্তার স্বার্থে গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে সেনেটর এবং হাউস সদস্যদের সরিয়ে নিয়ে যেতে হয় পুলিশকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরে ফের শুরু হয় অধিবেশন।

Advertisement

আরও পড়ুন: ‘গণতন্ত্রের নিগ্রহ’, ট্রাম্পকে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ বাইডেনের

ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই পরিস্থিতি অশান্ত করার অভিযোগ তুলেছে তাঁর বিরোধী এবং আমেরিকার সংবাদমাধ্যম। কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনের আগে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট টুইটারে লেখেন, ‘অনিয়ম আর জালিয়াতির ভোটের সংশোধন চাইছে প্রদেশগুলি। দুর্নীতির এই প্রক্রিয়া কখনওই আইনসভার সম্মতি পায়নি’। এমনকী, বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের কাছে (যিনি পদাধিকার বলে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছেন) বাইডেনকে শংসাপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া আটকানোরও আবেদন জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু বুধবারের রক্তক্ষয়ী হিংসার পর ঝুঁকি না নিয়ে পিছু হটার বার্তা দিলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন: ক্যাপিটলে হামলা, গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে বাঁচলেন সেনেটররা

Advertisement