জরুরি আইনে বলবৎ হওয়া আমদানি শুল্ক মঙ্গলবার থেকেই স্থগিত রাখতে বাধ্য হল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকার শুল্ক এবং সীমান্ত সুরক্ষা সংক্রান্ত দফতর (ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন এনার্জি)-এর তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (আমেরিকার স্থানীয় সময় অনুসারে রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে) থেকেই এই শুল্ক নেওয়া স্থগিত রাখা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হোয়াইট হাউস।
শুক্রবারই আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছেন ট্রাম্প। সে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দেয়, জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত আইন (ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকনমিক পাওয়ার্স অ্যাক্ট) প্রয়োগ করে বিভিন্ন দেশের উপর ট্রাম্প যে আমদানি শুল্ক চাপিয়েছিলেন, তা বেআইনি। মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া একক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে এই শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। এর ফলে ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন:
মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশের পরই হোয়াইট হাউস থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ‘‘সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষিতে ওই জরুরি আইন অনুসারে আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক আর কার্যকর হবে না। যত দ্রুত সম্ভব তা আদায় করা বন্ধ হবে।’’ এরই মধ্যে আবার ট্রাম্প পৃথক ভাবে বিভিন্ন দেশের উপরে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশে স্বাক্ষর করেন। পরে তা বৃদ্ধি করে ১৫ শতাংশ করার কথাও ঘোষণা করে দেন তিনি। তবে এই শুল্ক ‘সাময়িক’। কারণ, ১৯৭৪ সালের মার্কিন বাণিজ্য আইনের ১২২ নম্বর ধারা উল্লেখ করে নতুন এই শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। আইন বলছে, এতেও মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনই শেষ কথা। প্রাথমিক ভাবে অনুমোদন ছাড়া ১৫০ দিনের বেশি এই ধরনের শুল্ক কার্যকর করা যায় না।