Advertisement
E-Paper

বৈঠক ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ, ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আগেই, সেই কথা স্মরণ করিয়ে ইরানকে হুমকি দিলেন ট্রাম্প

প্রসঙ্গত, বৈঠকের আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, যদি এই আলোচনা ব্যর্থ হয়, তা হলে ‘প্ল্যান বি’-ও প্রস্তুত আছে। হুঁশিয়ারি দিলেন, এ বার একমাত্র পথ ইরানের নৌবাহিনীকে পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে ফেলা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১৩
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের (বাঁ দিকে) সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের (বাঁ দিকে) সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স।

বৈঠক ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, সেই ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনাচক্রে, শনিবারের শান্তিবৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। আর তার দায় ইরানের উপরেই ঠেলেছে আমেরিকা। বৈঠক ব্যর্থ হতেই ট্রাম্প সেই পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানকে। শুধু তা-ই নয়, ট্রুথ স্যোশালে ‘জাস্ট দ্য নিউজ’-এর একটি প্রতিবেদন জুড়ে দিয়ে তাঁর সতর্কবার্তার কথা ফের স্মরণ করালেন তেহরানকে।

ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছিল, ‘‘যদি ইরান শনিবারে চূড়ান্ত সমঝোতায় আসতে রাজি না হয়, তা হলে ট্রাম্প যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন— ইরানের পরিস্থিতি প্রস্তরযুগের মতো করে দেবেন— সেটাই করতে পারেন। অথবা ইরানকে চার দিক থেকে ঘিরে ফেলে তাদের অর্থনীতিকে শ্বাসরুদ্ধ করা হবে।’’ জাস্ট দ্য নিউজ-এর সেই প্রতিবেদনকে নিজের পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে ইরানকে জানিয়ে দিতে চাইলেন, তিনি কী করতে চলেছেন।

প্রসঙ্গত, বৈঠকের আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, যদি এই আলোচনা ব্যর্থ হয়, তা হলে ‘প্ল্যান বি’-ও প্রস্তুত আছে। হুঁশিয়ারি দিলেন, এ বার একমাত্র পথ ইরানের নৌবাহিনীকে পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে ফেলা। প্রসঙ্গত, ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযানের আগে তাদের নৌবাহিনীকে পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে ফেলেছিল মার্কিন বাহিনী। ইরানের ক্ষেত্রেও কি তা হলে ওই রাস্তায় হাঁটতে চলেছেন ট্রাম্প? জোরালো হতে শুরু করেছে সেই প্রশ্ন।

Advertisement

শনিবারের বৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স দাবি করেন, ইরান তাঁদের সঙ্গে ঠিক মতো সহযোগিতা করতে রাজি হয়নি। বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পুরো দায় তেহরানের উপরই ঠেলেছে আমেরিকা। শুধু তা-ই নয়, ইরানের ‘অনমনীয়’ মনোভাবেরও সমালোচনা করা হয়েছে আমেরিকার তরফে। তবে ইরান অন্য দাবি করছে। তাদের পাল্টা দাবি, আমেরিকা এমন কিছু ‘অযৌক্তিক দাবি’ করছিল যেগুলি দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে, দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

Donald Trump
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy