Advertisement
E-Paper

ব্রিটিশ রাজার সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের সুযোগ পেলে কোহিনুর হিরে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলতে চাই! মন্তব্য মামদানির

১০৫.৬ ক্যারাটের কোহিনুর হিরে বর্তমানে রাখা আছে ব্রিটেনের টাওয়ার অব লন্ডনে। তবে মামদানি চান, সেই হিরে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। ব্রিটেনের রাজার সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের সুযোগ হলে তাঁকে সে কথা বলতে চান মামদানি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:০৮
নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি।

নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। — ফাইল চিত্র।

কোহিনুর হিরে ফিরিয়ে দেওয়া হোক— এমনটাই চাইছেন নিউ ইয়র্কের ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র জোহরান মামদানি। ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে কথা হলে তাঁকেও সেই অনুরোধ করতে চান তিনি। তবে কোন দেশের কাছে তা ফিরিয়ে দেওয়া উচিত, তা নিয়ে কোনও সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি মামদানি।

ব্রিটেনের রাজা সস্ত্রীক আমেরিকা সফরে গিয়েছেন। সফরের তৃতীয় দিনে, বুধবার নিউ ইয়র্কে ‘৯/১১ স্মৃতিসৌধ’ পরিদর্শন করেন রাজা তৃতীয় চার্লস এবং রানি ক্যামিলা। সেখানেই ব্রিটিশ রাজার সঙ্গে দেখা করেন নিউ ইয়র্কের মেয়র। তার আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে মামদানির কাছে জানতে চাওয়া হয়, ব্রিটিশ রাজাকে তিনি কী বলতে চান। উত্তরে নিউ ইয়র্কের মেয়র বলেন, “যদি আমি রাজার সঙ্গে আলাদা ভাবে কথা বলার সুযোগ পেতাম, তবে আমি হয়তো তাঁকে কোহিনুর হিরে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বলতাম।” যদিও এ প্রসঙ্গে মন্তব্যের সময়ে সরাসরি ভারতের নামোল্লেখ করেননি তিনি। তা ছাড়া রাজা চার্লসের ঘোষিত সফরসূচিতে এমন কোনও ব্যক্তিগত সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ নেই।

১০৫.৬ ক্যারাটের কোহিনুর হিরের জন্মস্থান ভারত। চতুর্দশ শতাব্দীতে ভারতেই মিলেছিল এই হীরে। তার পর বহু হাত ঘোরে। ১৮৪৯ সালে পঞ্জাব অধিকার করে ব্রিটিশরা। তখনই কোহিনুর হস্তান্তরিত হয় রানি ভিক্টোরিয়ার কাছে। সেই থেকে ব্রিটেনের শাসকদের মাথায় শোভা পেতে থাকে এই হিরে। এখন প্লাটিনামের মুকুটে বসানো রয়েছে এই হীরে। ১৯৩৭ সালে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাবা ষষ্ঠ জর্জের অভিষেকের সময় তৈরি করা হয়েছিল সেই মুকুট। পরেছিলেন দ্বিতীয় এলিজাবেথের মা রানি এলিজাবেথ (কুইন মাদার)। টাওয়ার অব লন্ডনে রাখা থাকে সেই মুকুট।

স্বাধীনতার পর থেকে এই হিরে ফেরত পাওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে চেষ্টা করেছে ভারত। এমনকি এ নিয়ে অতীতে জনস্বার্থ মামলাও হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তবে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছিল, ব্রিটেনের কাছ থেকে কোহিনুর ফেরত চাওয়ার দাবির নেপথ্যে কোনও আইনগত যুক্তি নেই। শুধু ভারতই নয়, ব্রিটেনের কাছ থেকে কোহিনুর হিরে ফেরত পাওয়ার দাবি তুলেছিল পাকিস্তানও। ইসলামাবাদের দাবি, শিখ সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল লাহৌর। লাহৌর চুক্তির মাধ্যমেই কোহিনুর নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল ব্রিটিশেরা।

Kohinoor Zohran Mamdani
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy