বিভিন্ন অপারেশনের জন্য এখন অনেক সময়েই শোনা যায় রোবোটিক সার্জারির কথা। কিন্তু কী এই রোবোটিক সার্জারি এবং প্রচলিত চিকিৎসার থেকে এটি আলাদাই বা কোথায়?
আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়েই আলোচনা করলেন ‘অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল’, কলকাতার জেনারেল সার্জারি এবং ল্যাপ্রোস্কোপিক সার্জারির সিনিয়র কনসালটেন্ট চিকিৎসক, মেজর রণজয় দত্ত।
বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
চিকিৎসক রণজয় দত্ত রোবোটিক সার্জারির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন
তিনি বলেন, “গত ১০-১৫ বছরের মধ্যে একটি নতুন প্রযুক্তি এসেছে তা হল রোবোটিক সার্জারি। যেখানে রোবট কিন্তু সার্জারিটা করছে না। রোবট একটি যন্ত্র, যাকে দিয়ে সার্জারি করছে সার্জন। ল্যাপ্রোস্কোপিক সার্জারির যেসব সীমাবদ্ধতা আছে, সেগুলিকে অতিক্রম করার জন্য এবং সার্জনকে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে রোবট।”
এই রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
ল্যাপ্রোস্কোপিক সার্জারির জন্য যে ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় তা সার্জনের সহকারীর হাতে থাকে। তাই অপারেশন করার জন্য সার্জনের যে ভিশনের দরকার হয় তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সহকারী কী ভাবে ক্যামেরা ধরছেন তার উপর। কিন্তু রোবোটিক সার্জারির ক্ষেত্রে ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ পুরোটাই সার্জনের হাতে থাকে।
আবার যেখানে ল্যাপ্রোস্কোপিক সার্জারির ক্ষেত্রে ভিশন ২ডি, সেখানে রোবটিকের ক্ষেত্রে ৩ডি এবং ২এক্স থেকে ২০এক্স পর্যন্ত বড় করে যেই জায়গায় অপারেশন হচ্ছে সেই জায়গাটি ভাল করে দেখা যায়। ফলে ভুল-ক্রুটির সম্ভাবনা কম থাকে।
তিনি আরও বলেন, “যে অপারেশনটা আমরা করতে যাচ্ছি অপারেশনের স্থানে বিচ্ছেদ অনেক বেশি সূক্ষ্ম হয়। এক্ষেত্রে রক্তপাত অনেক কম হয়। যে কোনও অপারেশনজনিত জটিলতার সম্ভাবনাও অনেক কম হয়ে যায়।”
সুতরাং, রোবোটিক সার্জারিতে সেই সকল সুবিধাগুলি পাওয়া যায়, যা ওপেন বা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে পাওয়া যায় না।
‘অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল’-এ রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির দ্য ভিঞ্চি এক্সআই রোবট, যার মাধ্যমে বছরে একশোরও বেশি রোবোটিক সার্জারি এখানে সাফল্যের সঙ্গে করা হচ্ছে।
যে কোনও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রশ্নের জন্য, অ্যাপোলোতে যোগাযোগ করুন:
জরুরি নম্বর: ১০৬৬
হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩৪৪২০২১২২
ই-মেইল আইডি: infokolkata@apollohospitals.com
এই প্রতিবেদনটি ‘অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল’-এর সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।