শীতকাল মানেই বাঙালির কাছে এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া। ভোরের কুয়াশা মাখা রোদে বসে নতুন চালের পিঠে-পুলির স্বাদ নেওয়া কিংবা নলেন গুড় আর সুগন্ধি চালের পায়েসে মন হারানো—এ যেন এক চিরন্তন যাপন। বাঙালির রান্নাঘর মানেই এক একটা গল্পের খনি, যেখানে মায়ের হাতের জাদুতে সাধারণ চালও হয়ে ওঠে অমৃত। আপনার সেই ঘরোয়া রান্নার স্বাদকে এবার এক বৃহত্তর মঞ্চ দিতে হাজির হয়েছে ‘লালবাবা রাইস পার্বণে আহা রে’।
রান্নাঘরের চার দেওয়াল ছাড়িয়ে আপনার হাতের জাদু এবার দেখবে সারা বাংলা। এটি কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং বাংলার আটটি জেলার রান্নাপ্রিয় বাঙালির মেধা আর ভালবাসাকে কুর্ণিশ জানানোর একটি উৎসব। পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, হুগলি, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর বা পশ্চিম মেদিনীপুর—আপনি এই জেলাগুলোর যে কোনও একটির বাসিন্দা হলেই তৈরি হয়ে যান এই লড়াইয়ের জন্য।
কীভাবে সামিল হবেন এই উৎসবে?
অংশগ্রহণ করার পদ্ধতিটি খুবই সহজ। আপনার রান্নাঘরের সৃজনশীলতাকে পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে:
- রেসিপি: আপনাকে চাল দিয়ে তৈরি দু’টি পদ জমা দিতে হবে—একটি মিষ্টি এবং অন্যটি যে কোনও পদ। (তবে একটি দিলেও আপনার আবেদন বাতিল হবে না)।
- বোনাস পয়েন্ট: যদি আপনি দু’টি রেসিপিই জমা দেন, তবে বিচারকদের থেকে পাবেন ৩০% বোনাস পয়েন্ট, যা আপনাকে ফাইনালিস্ট হওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রাখবে।
- ভিডিয়ো ও বর্ণনা: অন্তত একটি পদের রান্নার ভিডিয়ো এবং দু’টি পদেরই বিস্তারিত লিখিত পদ্ধতি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
কোথায় পাঠাবেন?
আপনার নাম, ঠিকানা, পরিচয়পত্রের তথ্য এবং রেসিপি পাঠিয়ে দিন নীচের এই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে: 9831317779
প্রতি জেলা থেকে ২ জন সেরা প্রতিযোগী পাবেন নগদ পুরস্কার। এ ছাড়াও থাকছে এক অনন্য সম্মান—জনপ্রিয় অভিনেত্রী সন্দীপ্তা সেনের সই করা বিশেষ শংসাপত্র ও সম্মাননাপত্র। যদি আপনি ফাইনালিস্ট হিসেবে নির্বাচিত হন, তবে আপনার কলকাতার যাতায়াত খরচ দেবে আয়োজকরাই! কলকাতার বড় মঞ্চে লাইভ রান্নার সুযোগ পাবেন আপনি।
তা হলে আর দেরি কেন? আজই আপনার হেঁশেলের সেরা পদটি নিয়ে মেতে উঠুন রান্নার এই নতুন পার্বণে। আপনার হাতের রান্নাই হয়তো এবার হবে ‘পার্বণে আহা রে’-র সেরা আবিষ্কার!
এই প্রতিবেদনটি ‘লালবাবা রাইস’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।