ভাত বাঙালির রোজকার পাতে চিরকালীন সঙ্গী। তবে,বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন। ডায়েট, ফিটনেস আর ওজন নিয়ন্ত্রণের আলোচনায় প্রথম যে খাবারটি প্রায়শই কাঠগড়ায় ওঠে, তার নাম সাদা ভাত। ‘ভাত খেলে মেদ বাড়ে”, ‘ভাতে শুধু শর্করা”,এমন নানা ধারণা আজকাল হামেশাই শোনা যায়। অথচ, চালের জগতে এমন একটি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা ভাতের স্বাদ অক্ষুণ্ণ রেখেই তার পুষ্টিমান বাড়িয়ে তোলে। জাদুমন্ত্রের নাম পারবয়েল্ড চাল।
পারবয়েল্ড চাল তৈরির পদ্ধতিটি সাধারণ চালের থেকে একটু আলাদা। এই পদ্ধতিতে ধানের খোসা ছাড়ানোর আগে চালকে আংশিকভাবে সেদ্ধ করা হয়। বিশেষ এই প্রক্রিয়ার ফলে চালের উপরের স্তরে থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান দানার ভেতরের অংশে পৌঁছে যায়। তাই মিলিংয়ের পরেও সাধারণ সাদা চালের তুলনায় পারবয়েল্ড চালে পুষ্টিগুণ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, পারবয়েল্ড চাল দৈনন্দিন শক্তির একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়, আবার তুলনামূলকভাবে বেশি ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে। পাশাপাশি থায়ামিন, নিয়াসিন ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এই চালে স্বাভাবিকভাবেই বজায় থাকে, যা স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সহায়ক।
আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক,পারবয়েল্ড চালের গ্লাইসেমিক সূচক সাধারণ সাদা চালের তুলনায় কম। ফলে ভাত খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা অনেক মানুষের কাছেই এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এই সমস্ত বৈজ্ঞানিক দিক মাথায় রেখেই লালবাবার সব পারবয়েল্ড চাল তৈরি হয় কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ ও যত্নের সঙ্গে। রান্নার পর ঝরঝরে দানা, পরিচ্ছন্নতা আর স্বাদের ধারাবাহিকতা, সব মিলিয়ে লালবাবার পারবয়েল্ড চাল আজ বহু পরিবারের রোজকার পাতে ভরসার নাম।
ভাত মানেই ডায়েটের সঙ্গে আপস, এই ধারণা বদলাতে পারবয়েল্ড চাল একটি বাস্তবসম্মত সমাধান। আর সেই সমাধান যদি আসে লালবাবার মতো বিশ্বাসযোগ্য ব্র্যান্ডের হাত ধরে, তবে প্রতিদিনের ভাত হয়ে ওঠে স্বাদ আর সচেতনতার এক সুন্দর সমন্বয়।
এই প্রতিবেদনটি ‘লালবাবা রাইস’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।