E-Paper

উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে বাড়ছে মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি এবং অ্যালাইড হেলথ সায়েন্স নিয়ে পড়ার ঝোঁক

আজকের দিনে মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি এবং অ্যালাইড হেলথ সায়েন্সেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্ষেত্রগুলি অনেক ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখছে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ ১৭:২৮
'সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি'-র প্রো-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

'সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি'-র প্রো-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

বর্তমান যুগে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পড়াশোনার পদ্ধতির যেমন পরিবর্তন হচ্ছে, ঠিক তেমনই এমন অনেক নতুন পাঠ্যক্রমের সঙ্গেও ছাত্রছাত্রীরা পরিচিত হচ্ছে যা তাদের কেরিয়ার গড়তে সাহায্য করছে। আজকের দিনে মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি এবং অ্যালাইড হেলথ সায়েন্সেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্ষেত্রগুলি অনেক ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়গুলি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যেখানে কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, সাধারণ বিজ্ঞান এবং মেডিসিনও ভাল কেরিয়ার গড়তে সাহায্য করছে।

গবেষণার মাধ্যমে উন্নত মানের বীজ, বায়ো-সার, খরা-সহনশীল ফসল তৈরি হয়েছে, যা কৃষিতে উৎপাদন বাড়িয়েছে। জিনগতভাবে পরিবর্তিত খাবারের মাধ্যমে ফল এবং সবজির সংরক্ষণ ক্ষমতাও বাড়ানো গিয়েছে। সমুদ্রের জীবনও উন্নত হচ্ছে। প্রবাল প্রাচীর তৈরি, সমুদ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জিনগতভাবে তৈরি জীবের মাধ্যমে সমুদ্রের বিষাক্ত বর্জ্য পরিষ্কার করার মতো কাজ কার্যত সহজ হয়ে গিয়েছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বায়ো-মেডিসিন এবং বায়ো-সার্জিকাল রোবট এখন চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। অঙ্গ তৈরি ও অঙ্গ প্রিন্টিংও এই ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত, যা রোগীর শরীরের সঙ্গে মিল রেখে চিকিৎসা করতে সাহায্য করে।

নার্সিং, ফার্মেসি এবং জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাতেও এই বিষয়গুলির ভাল প্রভাব পড়েছে। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলি এখন এমন বায়ো-মেডিসিন তৈরি করছে, যা প্রোবায়োটিক হিসাবে কাজ করে। এতে ভাল ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে পেটের সমস্যা কমে এবং শরীর সুস্থ থাকে। ফলে সাধারণ ওষুধের ওপর নির্ভরতা কমে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম হয়।

এ ছাড়াও, এই বিষয়গুলি ব্যবহার করে আগুনে না-পোড়া কাঠ, নিজে নিজে পরিষ্কার হয়ে যায় এমন কাঁচ, আর বিস্ফোরক চিহ্নিত করতে পারে এমন গাছ তৈরি করা হচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এই ক্ষেত্রগুলোর সুযোগ অনেক বিস্তৃত, ছাত্রছাত্রীরা প্রতিরক্ষা, ফার্মাসিউটিক্যালস, কৃষি বা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংসহ নানা ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে। শুধু তাই নয়, তারা আন্তর্জাতিক ল্যাব এবং প্রজেক্টে কাজ করে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে পারে। এখনও এই বিষয়গুলোর পূর্ণ সম্ভাবনা পুরোপুরি বোঝা যায়নি, তবে ধীরে ধীরে বিনিয়োগ বাড়ছে এবং নতুন নতুন কেরিয়ারের পথও খুলে যাচ্ছে।

এই বিষয়গুলির সবচেয়ে মজার দিক হল, এগুলো সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো নতুন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। যেমন, সিআরআইএসপিআর-সিএএস৯ প্রযুক্তি জিন এডিটিংকে অনেক সহজ ও কম খরচে সম্ভব করেছে। এর সাহায্যে ভবিষ্যতে মানুষের আয়ু বাড়ানো, মহাকাশ ভ্রমণ আরও সহজ করা, জিনগত রোগের চিকিৎসা করা, এমনকি মানুষের ক্ষমতা বাড়ানোর মতো সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।

তাই ছাত্রছাত্রীদের বোঝা দরকার যে এই ক্ষেত্রগুলোর সম্ভাবনা অনেক। এখন তাদের দায়িত্ব হল মন দিয়ে শেখা, নতুন জ্ঞান অর্জন করা এবং সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তোলা।

এই প্রতিবেদনটি ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’র সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Sister Nivedita University Microbiology Biotechnology Allied Health Sciences

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy