E-Paper

সঙ্কটে বাসমতী, কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের দাবি চাল রফতানিকারকদের

রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশে বাসমতী চালের দাম কমতে শুরু করেছে। গত তিন দিনেই দাম প্রায় ৭-১০ শতাংশ কমে গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫২
বাসমতি চাল।

বাসমতি চাল।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে সঙ্কটের মুখে চাল রফতানি। বিশেষত ভারতে উৎপাদিত বাসমতী চালের অন্যতম বৃহৎ বাজার যেহেতু ওই অঞ্চলই। ফলে বিপাকে পড়া চাল রফতানিকারীরা এ বার সরকারের শরণাপন্ন হলেন। আর্থিক সাহায্য নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাল তাঁদের সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান রাইস এক্সপোর্টার্স ফেডারেশন’ (আইআরইএফ)। সমস্যার যদি পুরো সমাধান না-ও হয়, তবে কী ভাবে অন্তত কিছুটা সুরাহা দেওয়া যায়, সে সংক্রান্ত কিছু আবেদন নিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে তারা।

রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশে বাসমতী চালের দাম কমতে শুরু করেছে। গত তিন দিনেই দাম প্রায় ৭-১০ শতাংশ কমে গিয়েছে। রফতানিকারীদের দাবি, এর ফলে তাঁরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে চলেছেন। হাতে কার্যকরী মূলধনের পরিমাণ কমতে থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়াও সমস্যার হতে পারে বলে আশঙ্কা একাংশের। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রফতানি বাজার হারালে দেশে উৎপাদন কমবে। না হলে অতিরিক্ত জোগানে দাম নামবে তলানিতে। ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ধাক্কা লাগতে পারে।

আইআরইএফ জানাচ্ছে, যুদ্ধের কারণে পশ্চিম এশিয়ায় রফতানির জন্য পণ্য সরবরাহ চূড়ান্ত ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ। যে সব পণ্য ইতিমধ্যেই জাহাজে চাপিয়ে পাঠানো হয়েছে, সেগুলি ফিরে আসছে। ইরানের রুট ছাড়া অন্য পথে পণ্য পাঠানোর জন্য দেখা দিয়েছে কন্টেনারের অভাব। এমনকি জাহাজের ভাড়া ১৫-২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। বেড়েছে যুদ্ধ কবলিত অঞ্চলে পণ্য পাঠানোর জন্য বিমা খরচ। সব মিলিয়ে রফতানি খাতে দ্রুত চড়ছে খরচ। অথচ মার খাচ্ছে বিক্রিবাটা। যে কোনও মুহূর্তে রফতানি পণ্য মাঝরাস্তায় পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে গিয়েছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Iran Israel war Basmati Rice

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy