E-Paper

সিলিন্ডার কিনতে খোঁজা হচ্ছে বিকল্পও

সমস্যা মূলত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ঘিরেই। গৃহস্থালির সিলিন্ডার নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। যে কারণে বুকিং-এরসংখ্যা কমেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ০৫:৪১
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পরিস্থিতি ঘোরালো হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ায়। যার জেরে ভারতে রান্নার গ্যাস নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। দেশে জোগান অব্যাহত রাখতে কেন্দ্র এলপিজি এবং এলএনজি আনার জন্য আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকোর মতো দেশের উপরেও নির্ভর করছে। বৃহস্পতিবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা বলেন, ‘‘এ কথা ঠিক যে, এলপিজি-তে আমাদের চাহিদার ৯০% এবং এলএনজির ৪৭% আমদানি করতে হয়। যার সিংহভাগ আসে পশ্চিম এশিয়া থেকেই। তবে আমরা আরও বিকল্পের সন্ধানে রয়েছি।’’ তিনি জানান, গত বছর আমেরিকার সঙ্গে ভারতে এলপিজি আমদানি নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই অনুসারে কেনা হচ্ছে সেখান থেকে। দেশেও উৎপাদন ৪০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে সমস্যা মূলত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ঘিরেই। গৃহস্থালির সিলিন্ডার নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। যে কারণে বুকিং-এরসংখ্যা কমেছে।

তেল সংস্থাগুলিরও দাবি, গত কয়েক দিনে গড়ে দৈনিক ৬০ লক্ষ মানুষকে তারা সিলিন্ডার দিয়েছেন। দু’সপ্তাহে ১.২৫ লক্ষের বেশি নতুন গ্যাস সংযোগ নিয়েছেন। বেআইনি সিলিন্ডার মজুতেও কড়া নজর রয়েছে, জানান সুজাতা। ডিলারদের অভিযোগ, তেল সংস্থার সার্ভার ঠিক ভাবে কাজ না করায় সব তথ্য আপডেট হচ্ছে না। দৈনিক মজুতের সঙ্গে সিস্টেমের তথ্য মিলছে না। গ্রাহকেরা যে দিন সিলিন্ডার পাচ্ছেন, তা সার্ভারে আপলোড হতে এক-দু’দিন বেশি সময় লাগছে। ফলে ২৫ দিনের ফারাক থাকলেও তা বাস্তবে হয়তো ২৭-২৮ দিন গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। ইন্ডেন কিংবা ভারত গ্যাস-সব সংস্থার ডিলারদেরই এই অভিযোগ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Iran-Israel War LPG supply

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy