কেব্‌ল টিভি ও ডিটিএইচ পরিষেবায় নতুন নিয়ম নিয়ে গ্রাহকদের একাংশের অভিযোগ এখনও পুরো মেটেনি। এ বার সমস্যার কথা বলছেন অনেক কেব্‌ল অপারেটরও। দাবি, কিছু সমস্যার সমাধান তাঁদের হাতে না থাকলেও গ্রাহকদের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন তাঁরা। নতুন নিয়মে টান পড়ছে আয়েও। যেন শাঁখের করাত।

যেমন, বাগুইআটির কেব্‌ল অপারেটর বিদ্যুৎ দেব অধিকারীর দাবি, হাজার তিনেক গ্রাহকের অর্ধেক সেট-টপ বক্স (এসটিবি) রিচার্জ করেছেন। ভাঙরের বিভূতি মণ্ডলের হাজার দু’য়েক এসটিবির মধ্যে এখন সাড়ে ছ’শো চালু। এমএসও-রা বাকিগুলিও চালু করতে চাপ দিচ্ছেন। গ্রাহকেরা নারাজ। কারণ খরচ বাড়ছে। তা হলে তাঁরা কী করবেন? প্রশ্ন বিদ্যুৎবাবুদের। 

বর্ধমানের মেমারির অপারেটর পার্থ দাসের এক গ্রাহক মুম্বই চলে যাওয়ায় এসটিবি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি তাঁর অনুরোধে সেটি চালু করতে গিয়ে দেখা যায়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন নিয়মে তা চালু হয়েছে! এখন প্রশ্ন, এই ক’মাসের টাকা কে দেবেন? 

তাঁদের আরও অভিযোগ, নতুন নিয়মে মাসুল ভাগের পদ্ধতিতে আয় কমছে অপারেটরদের। ভবিষ্যতে অন্য সংস্থা সস্তায় পরিষেবা দিলে ছোট অপারেটরেরা কী ভাবে প্রতিযোগিতায় টিকবেন? নিয়ন্ত্রক ট্রাইয়ের এক কর্তা অবশ্য জানান, আয়ের হিসেব নিয়ে ফের কথার পথ খোলা রয়েছে।

বছর খানেকের মধ্যে এসটিবি এক রেখে ডিটিএইচ বা এমএসও বদলের সুযোগ আনতে চায় ট্রাই। এখন কেব্‌ল সংস্থা পাল্টালে সেট-টপ বক্সও কিনতে হয়। ভবিষ্যতে যে সংস্থার সংযোগ, তার একটি স্মার্টকার্ড বা প্রযুক্তিগত কোনও ব্যবস্থা থাকবে। যা ব্যবহার করা যাবে পুরনো এসটিবিতেই।