রাজস্ব ক্ষতি মেনেও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে কর্পোরেট কর চাঙ্গার রাস্তায় হেঁটেছে কেন্দ্র। বুধবার মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যন সেই কর ছাঁটাইকে কাঠামোগত সংস্কারের ইঙ্গিত বলেই দাবি করলেন। দাবি করলেন, ইউপিএ সরকারের আমলে যা হয়নি, সেই কাঠামোগত সংস্কারের একাধিক নিদর্শন স্পষ্ট নরেন্দ্র মোদীর জমানায়। সেই সঙ্গে রাজস্ব ক্ষতির কথা স্বীকার করে জানালেন, এই ঘাটতি পুষিয়ে দিতে কর বাদে অন্যান্য খাতে রাজস্ব আদায়কেই এখন পাখির চোখ করা দরকার সরকারের।

একেই ঝিমিয়ে থাকা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার নানা পদক্ষেপে খরচ বাড়ছে সরকারের। তার উপরে সেপ্টেম্বরে জিএসটি আদায় ১৯ মাসের তলানি ছোঁয়ায় আয় নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। এই অবস্থায় এ দিন কৃষ্ণমূর্তির দাবি, বৃদ্ধির হার কমায় জিএসটি সংগ্রহ যে ধাক্কা খাবে সেটা বোঝাই গিয়েছিল। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘(কর্পোরেট) কর ছাঁটাই এক ঐতিহাসিক বদল। যা পরিষ্কার ইঙ্গিত সরকারের কাঠামোগত সংস্কারের পথে হাঁটার ইচ্ছে রয়েছে। বৃদ্ধির হার বাড়াতে যেটা জরুরি।’’

অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দাঁড় করানোর লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীর পদক্ষেপগুলি বিশেষ করে কর্পোরেট কর ছাড়ের সিদ্ধান্তকে খোলা মনে প্রশংসা করেছে দেশের শিল্প মহল। তবে তাঁরা  কথাও বলেছেন, অর্থনীতির শেষ কথাই হল চাহিদা। যা এখনও তলানিতে। এই বিষয়টি নিয়েও সরকারের ভাবা উচিত বলে তাঁরা মনে করছেন।  

কৃষ্ণমূর্তি জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে কাঠামোগত সংস্কারের কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। আর মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টার এই বক্তব্য যে ইউপিএ সরকারের প্রতি সমালোচনারই ইঙ্গিত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না!