একটু বেশি মুনাফার আশায় বহু সাধারণ মানুষ এখন অনেক বেশি লগ্নি করছেন শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে। সেই কথা মাথায় রেখে আসন্ন বাজেটে মূলধনী বাজারের লেনদেন ও মুনাফায় করে সুরাহার সওয়াল করেছে লগ্নিকারী সংস্থাগুলি। আর্জি জানিয়েছে, শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভকরে (এলটিসিজি) ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি এবং সব ধরনের লগ্নি ও সম্পদের ক্ষেত্রে ওই কর হিসাবের জন্য একটিমাত্র মেয়াদ রাখারও। যেগুলির মধ্যে রয়েছে শেয়ার, ঋণপত্র, সোনা ও জমি-বাড়ির মতো সম্পদ।
এখন এক বছরের বেশি শেয়ার ধরে রাখার পরে বিক্রি করে লাভ হলে, তার উপরে কর দিতে হয়। তবে লাভের অঙ্ক ১.২৫ টাকার মধ্যে হলে তা লাগে না। সেই ছাড়ের সীমাই বাড়িয়ে ২ লক্ষ করার কথা বলেছে জেএম ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস। পাশাপাশি, সব ধরনের সম্পদ ও লগ্নিতে মূলধনী লাভকর হিসাবে সমতা আনা এবং মূলধনী লোকসান হলে অন্যান্য খাতে আয়ের হিসাব থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এইচডিএফসি সিকিয়োরিটিজ়, ফাইয়ার্সের মতো সংস্থার বক্তব্য, ফাটকা খেলা রুখতে শেয়ার লেনদেনের তুলনায় নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে সিকিয়োরিটি ট্রানজ়াকশন ট্যাক্স (এসটিটি) কম রাখা হোক। একই সঙ্গে নিজের শেয়ার বাজার থেকে কিনে ফিরিয়ে নেওয়ার (বাইব্যাক) ক্ষেত্রে শুধু মুনাফার উপরে কর বসানো, ডিভিডেন্ডের উপরে করে ভারতীয় এবং অনাবাসীদের হারে সমতার দাবিও তুলেছে তারা। ফাইয়ার্স চায়, দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি মূলধনী লাভকরের (এসটিসিজি) থাকুক অভিন্ন হার, ১০%। লগ্নিকারীরা সুরক্ষার খোঁজে সোনা-রুপোকে বাছেন বলে সেগুলির আমদানি শুল্ক না বাড়ানোর আর্জিও জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রস্তাব
শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভকরে ছাড়ের সীমা বেড়ে হোক ২ লক্ষ টাকা। ছিল ১.২৫ লক্ষ।
সব সম্পত্তিতে মূলধনী লাভকরের সমান হিসাব।
মূলধনী লোকসান হলে অন্যান্য খাতে আয়ের হিসাব থেকে তা বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকুক।
শেয়ারের তুলনায় নগদ লেনদেনে কম হোক সিকিয়োরিটি ট্রানজ়াকশন ট্যাক্স (এসটিটি)।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)