গত বছরের শেষে মুক্তি পায় আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’। বক্সঅফিসে ঝ়ড় তুলে ১ হাজার কোটি টাকার ক্লাবে নাম লিখিয়ে ফেলেছিল ‘ধুরন্ধর’-এর প্রথম পর্ব। তিন মাসের মাথায় মুক্তি পাচ্ছে সেই ছবির দ্বিতীয় পর্ব ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। সাফল্য এলেও বিতর্ক শুরু হয়েছিল ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের একাংশের অভিযোগ ছিল, এই ছবি পাকিস্তান-বিরোধী। তবে এ বার আরও নাকি ভয়ঙ্কর হবে ধুরন্ধরেরা। তাই পাকিস্তানিদের উদ্দেশে কোন বার্তা দিলেন আদিত্য?
পাকিস্তানের লিয়ারি শহরে গ্যাংস্টারদের মধ্যে একসময়ের বচসা দেখানো হয়েছে ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে। পাশাপাশি পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে চাপানউতোরের প্রসঙ্গও এসেছে। যার ফলে মুক্তির পরে এই ছবিকে কেউ কেউ বলেছিলেন ‘পাকিস্তান-বিরোধী’। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে নিষিদ্ধ করা হয় এই ছবি। পাকিস্তানেও মুক্তি পায়নি। তার পরেও চোরাপথে এই ছবি পৌঁছে গিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে।
আরও পড়ুন:
যদিও ছবির দ্বিতীয় পর্ব পাকিস্তানে মুক্তি পাওয়া না পাওয়া নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত নন আদিত্য। তিনি বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, পাকিস্তানি দর্শকেরা যদি আমাদের উপর আস্থা রাখেন তা হলে অবশ্য ছবিটা দেখা উচিত। কারণ, আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলছি, আমরা পাকিস্তানের নাগরিকদের বিরোধিতা করছি না।’’
‘ধুরন্ধর’ ছবির গল্পটা ছিল রহমান বালোচকে কেন্দ্র করে। রহমানের মৃত্যু ঘটেছে। ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিটির চিত্রনাট্য মূলত আবর্তিত হতে চলেছে রণবীর সিংহ অভিনীত হামজ়াকে ঘিরে। ছবিনির্মাতাদের দাবি, ‘ধুরন্ধর’-এর চেয়ে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিটি আরও বেশি হিংসাত্মক হতে চলেছে। ফলে রক্তারক্তি, হানাহানির পরিমাণ যে বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।