চলতি অর্থবর্ষে ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.৬ শতাংশে সীমিত থাকবে, জানাল মূল্যায়ন সংস্থা ফিচ গোষ্ঠীভুক্ত বিএমআই। সম্প্রতি রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক একই পূর্বাভাস দিয়েছে। ৬.৯% থেকে অনুমান ৬.৬ শতাংশে নামিয়েছে মূলত পশ্চিম এশিয়ার কারণেই। বিএমআই-এরও আশঙ্কা, যুদ্ধের আবহে দুর্বল লগ্নি এবং চাহিদার পাশাপাশি বাণিজ্যে ধাক্কা গত অর্থবর্ষের (২০২৫-২৬) ৭.৭% থেকে বৃদ্ধির হারকে নীচের দিকে ঠেলবে। ২০২৪-২৫ সালে তা ছিল ৭.১%। গত দু’বারই ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি এসেছে মূলত লগ্নি এবং চাহিদার পরিবেশ চাঙ্গা থাকায়।
বিএমআই-এর দাবি—
- গত সেপ্টেম্বরে জিএসটি-র হার কমায় কেনাকাটায় যে গতি এসেছিল, তা স্তিমিত হতে শুরু করেছে।
- পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের জেরে মূল্যবৃদ্ধির ৫.৩ শতাংশে ওঠার আশঙ্কা, তাতে সাধারণ মানুষের খরচ বাড়বে, কমবে ক্রয়ক্ষমতা।
- সার্বিক আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণেই বিনিয়োগের ভাটা।
তবে বিএমআই-এর আশা, ডলার এ বছর (ক্যালেন্ডার বছর) ৯৫.১ টাকার কাছাকাছি থিতু হবে। ২০২৫-এ গড়ে ৮৭ টাকার ডলার ভারতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নের জেরে আরও ওঠায় রফতানি বাজারের প্রতিযোগিতায় এ দেশ সুবিধা পাবে। যা ইরান যুদ্ধে বাণিজ্যের ধাক্কা খাওয়া সত্ত্বেও জিডিপি-র ক্ষতি খানিকটা সামলে দেবে। তাদের আরও দাবি, এই অর্থবর্ষের সম্ভাব্য বৃদ্ধির হার গত দশকের গড় বার্ষিক ৬.১% হারের বেশি, যা ইতিবাচক। পাশাপাশি চরম জ্বালানির সঙ্কটের মধ্যেও স্বস্তি দিচ্ছে সুদ। তা অর্থনীতিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)