Advertisement
E-Paper

সোনার পর এ বার রুপো, আমদানি নিষেধাজ্ঞায় জোগানে ঘাটতি, ভারতের বাজারে চড়া দামে বিকোবে সাদা ধাতু?

সোনার পর রুপোতেও অনুমোদনের নিয়ম চাপানোর পর এর দামবৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। কারণ এই সাদা ধাতুটি এখন আর শুধুমাত্র অলঙ্কার বা সাধারণ ধাতুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১৭:০০

ছবি : সংগৃহীত।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সোনা কেনায় রাশ টানতে দেশবাসীকে অনুরোধ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোনা আমদানিতে শুল্কবৃদ্ধির পথে হেঁটেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই নীতি প্রযোজ্য হয়েছে রুপোর উপরও। রুপো আমদানি এত দিন ছিল ‘অবাধ’ তালিকার অন্তর্ভুক্ত। সেটিকেই নিয়ে আসা হয়েছে ‘নিয়ন্ত্রিত’ তালিকার অধীনে। ফলে এখন থেকে বিদেশ থেকে রুপো আনতে অনুমতি লাগবে বলে জানিয়েছে সরকার। এই অবস্থায় এখন থেকে ৯৯.৯ শতাংশ বিশুদ্ধ রুপার বাট, অপরিশোধিত রুপো এবং গুঁড়ো রুপো আমদানির জন্য সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে।

সোনার পর রুপোয় অনুমোদনের নিয়ম চাপানোর পর এই ধাতুর দামবৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। কারণ এই সাদা ধাতুটি এখন আর শুধুমাত্র অলঙ্কার বা সাধারণ ধাতুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আধুনিক প্রযুক্তির পরিবর্তনের রুপো এখন অপরিহার্য কৌশলগত পণ্যে পরিণত হয়েছে। ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে রুপোর উৎপাদন হয় না। ফলে ক্রেতারা আমদানির ওপর ব্যাপক ভাবে নির্ভরশীল। আমদানিতে অনুমোদন লাগলে আমদানিকারকদের জন্য রুপোর চাহিদা অনুযায়ী জোগান কমে যেতে পারে। ফলে দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে রুপো ব্যবসায়ীদের মধ্যে। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে তেলের দাম বেড়েছে। বেড়েছে আমদানির খরচও। আমদানি-রফতানি ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সোনা আমদানির খরচও বেড়েছে। তার ফলে চাপ পড়ছে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারে।

আন্তর্জাতিক বাজারে রুপোর দাম সাধারণত মার্কিন ডলারে (প্রতি আউন্স হিসাবে) নির্ধারিত হয়। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ হল ভারতের প্রধান বাজার যেখানে রুপোর ফিউচার ট্রেডিং বা লেনদেন হয়। সরকার শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া মাত্রই ভারতের কমোডিটি এক্সচেঞ্জগুলো সেই বাড়তি খরচ হিসাব করে রুপোর ফিউচার রেট বাড়িয়ে দিতে পারে। অভ্যন্তরীণ সরবরাহের তীব্র সঙ্কট তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যের তুলনায় ভারতে রুপো চড়া দামে লেনদেন হতে থাকবে। বিদেশ থেকে পণ্য আনার খরচ বাড়লে সেই খরচের বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতার ওপর গিয়ে পড়ে। এই কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে দাম না বাড়লেও, কেবল শুল্ক বৃদ্ধির কারণে ভারতে রুপোর দাম বাড়তে পারে বলে মনে করছেন লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy