পেট্রলের ১০০ টাকা পার দৌড় নিয়ে বিক্ষোভের মধ্যেই দেশের একের পর এক অঞ্চল ডিজেলে ‘সেঞ্চুরি’ হাঁকাচ্ছে। শনিবার বহু জায়গায় তা ‘শতদাম’ ছুঁইছুঁই। ফলে এক দিকে, করোনা সঙ্কটে বিপর্যস্ত মানুষের হাঁসফাঁস দশা পণ্যের আগুন দামে। অন্য দিকে, তেলের বিক্রি তেমন না-বাড়ায় সন্ত্রস্ত পাম্প মালিকেরা। তেল মন্ত্রকের পরিসংখ্যানই বলছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরে নানা রাজ্যে বিধিনিষেধ শিথিল হলেও জুনে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ডিজেলের চাহিদা কমেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চড়া দরই সে জন্য দায়ী।
আজ, রবিবার তেলের দাম একই। তবে ইতিমধ্যেই ১৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পেট্রল লিটারে ১০০ টাকা পেরিয়েছে। শনিবার তালিকায় ঢুকেছে ছত্তীসগঢ়, উত্তরপ্রদেশ, নাগাল্যান্ডের নানা অঞ্চল। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশার কিছু এলাকায় ডিজেল ‘সেঞ্চুরি’ করেছে আগেই। এ বার জয়পুর, ঔরঙ্গাবাদ, ভোপাল, ইনদওর, আমদাবাদ, বিশাখাপত্তনমে তা ১০০ ছুঁইছুঁই। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, ডিজেল এত চড়লে দৈনন্দিন জীবনে সব থেকে বেশি ধাক্কা লাগে। কারণ চাষ, যাতায়াত, কল-কারখানায় উৎপাদন, পণ্য সরবরাহের মতো সব খরচই বাড়ে। পণ্যের দাম চড়ে। রুজিতে ধাক্কা লাগা গরিব মানুষদের বাঁচাতে তাই এখনই তেলে কর কমাক কেন্দ্র।
কেন্দ্রের দাবি, অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ স্পষ্ট। অথচ তেল মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০-র জুনের চেয়ে গত মাসে ডিজেলের চাহিদা এখনও ১.৫% কম। তবে সে বার তলানি ছোঁয়া চাহিদার নিরিখে পেট্রল, রান্নার গ্যাস ইত্যাদির বিক্রি এ বার বেড়েছে। আগের মাসের থেকেও সেগুলির বিক্রি একটু বেশি।