এ বার পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে বায়ো-ডিজেলের খুচরো ব্যবসা শুরু করল ইমামি অ্যাগ্রোটেক। সোমবার দিল্লি থেকে ‘ভিডিও-কনফারেন্সিং’-এর সাহায্যে হলদিয়া ও নয়াদিল্লিতে বায়ো-ডিজেলের খুচরো বিপণন কেন্দ্র চালু করেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম তথা প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

দূষণ কমাতে কেন্দ্রের নীতি অনুযায়ী ডিজেলের (৯৫%) সঙ্গে বায়ো-ডিজেল (৫%) মিশিয়ে বিক্রি করবে তেল সংস্থাগুলি। ইমামি অ্যাগ্রোটেক জানিয়েছে, হলদিয়া ও নয়াদিল্লিতে তেল সংস্থার পাম্পে উদ্ভিদ থেকে তৈরি এই বায়ো-ডিজেল সরবরাহ করবে তারা। এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আগামী দিনে অন্তত ২০টি পাম্পে ওই ভাবে বায়ো-ডিজেল মিশ্রিত জ্বালানি বিক্রির পরিকল্পনাও রয়েছে তেল সংস্থাগুলির। এ দিন হলদিয়ার ভাগ্যবন্তপুরে ভারত পেট্রোলিয়ামের পাম্পে বায়ো-ডিজেলের বিপণন কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

ইমামি গোষ্ঠীর ডিরেক্টর আদিত্য অগ্রবাল জানিয়েছেন, তাঁরা অপ্রচলিত শক্তি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে আগ্রহী। বন্দর, পরিবহণ, রেল, শিল্প-সহ সব ক্ষেত্রেই আগামী দিনে বায়ো-ডিজেলের ব্যবহার বাড়বে বলে আশা তাঁদের। সে ক্ষেত্রে তাঁদের দাবি, ওই জ্বালানি বেশি পরিমাণে তৈরি হলে কৃষকেরাও উপকৃত হবেন। তবে ইতিমধ্যেই হলদিয়া বন্দর এবং ভারতীয় রেলে বায়ো-ডিজেল সরবরাহ করছে সংস্থাটি। হলদিয়ার কারখানায় দৈনিক ৩০০ টন বায়ো-ডিজেল উৎপাদন করে তারা।

সংশ্লিষ্ট মহলের হিসেব অনুযায়ী, গোটা দেশে বায়ো-ডিজেলের উৎপাদন ক্ষমতা বার্ষিক প্রায় ১২ লক্ষ টন হলেও সচেতনতার অভাবে বাস্তবে তার মধ্যে মাত্র এক লক্ষ টন উৎপাদিত হয়। খুচরো ব্যবসা বাড়লে বায়ো-ডিজেল ব্যবহার নিয়ে সচেতনতাও গড়ে উঠবে বলে মনে করেন ইমামি-র কর্তারা।

এ দিন ভাগ্যবন্তপুরের ওই অনুষ্ঠানে পূর্বাঞ্চলে ভারত পেট্রোলিয়াম-এর প্রধান (রিটেল) সুরজিৎ মাহালিক, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার টিএন রামকৃষ্ণন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।