E-Paper

আশার আলো নেই শান্তি আলোচনায়, বাজারের নজর এখন তেল ও বিভিন্ন সংস্থার ফলাফলের দিকে

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কায় তেতে বাজার। সইসাবুদ করে যুযুধান পক্ষেরা সংঘর্ষে দাঁড়ি না টানা পর্যন্ত নিশ্চিন্ত হওয়া মুশকিল। তার উপর হরমুজ় আটকে থাকায় বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম বাড়ছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৩৮

— প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধবিরতিও নিশ্চিন্ত করতে পারছে না শেয়ার বাজারকে। ইরান-আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তাগত সপ্তাহের শেষ তিন দিনে ভারতে সেনসেক্সকে মোট ২৬০৯.১২ পয়েন্ট নামিয়েছিল। লগ্নিকারীদের শেয়ার সম্পদ কমে ৭.১৭ লক্ষ কোটি টাকা। বিশ্লেষকদের দাবি, চলতি সপ্তাহেও বিশ্ব জুড়ে বাজারকে চালনা করবে যুদ্ধ পরিস্থিতি। বিশেষত হরমুজ় প্রণালী। সঙ্গে যোগ হবে জানুয়ারি-মার্চে বিভিন্ন সংস্থার আর্থিক ফল ও বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কায় তেতে বাজার। সইসাবুদ করে যুযুধান পক্ষেরা সংঘর্ষে দাঁড়ি না টানা পর্যন্ত নিশ্চিন্ত হওয়া মুশকিল। তার উপর হরমুজ় আটকে থাকায় বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম বাড়ছে। লগ্নিকারীরা তাই আমেরিকা ও ইরানের কূটনৈতিক আলোচনায় কড়া নজর রাখছেন।

হরমুজ় দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল সরবরাহ হয়, যা ব্যাহত হচ্ছে। যে কারণে সম্প্রতি তার দাম ব্যারেল পিছু ১১৬ ডলার ছাড়িয়েছিল। এখন কিছুটা কমে ১০৫ ডলারের আশপাশে ঘুরছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, তেলে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলি আমদানি নির্ভর। ফলে অশোধিত তেল বাড়লে এই সব দেশের জ্বালানির দামে প্রভাব পড়ে। অর্থনীতিকে তার ভার বইতে হয়। ইতিমধ্যেই ভারতে এলপিজি-সহ বিভিন্ন জ্বালানির দর বেড়েছে। হরমুজ় পুরো না খুললে পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা। সে ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি মাথা তুলবে। তাই বিশ্ব বাজারে তেলেরদাম সূচকের অন্যতম দিক নির্ধারক।

পাশাপাশি, গত জানুয়ারি-মার্চের আর্থিক ফল প্রকাশ শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের দাবি, লগ্নিকারীরা তাকিয়ে তাদের আয়-মুনাফার দিকে। ফল ভাল হলে তাঁরা স্বস্তি পাবেন। মাথা তুলতে পারে সূচক। বিদেশ লগ্নি সংস্থাগুলি গত সপ্তাহে প্রায় ১১,০০০ কোটি টাকার শেয়ার বেচেছে। তারাও ফিরতে পারে। কারণ, সংস্থার ভাল আয়-মুনাফা অর্থনীতিতে চাহিদা ভাল থাকার ইঙ্গিত। আমেরিকার শীর্ষ ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজ়ার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং মূল্যবৃদ্ধির তথ্যও এই সপ্তাহে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের শেয়ার সূচকের দিক নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশই একবাক্যে বলছেন, ‘‘যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাজার অস্থির থাকবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Share Market West Asia US-Israel vs Iran

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy