Advertisement
E-Paper

হোটেল, পর্যটন শিল্পে কী ভাবে বিপ্লব আনছে এআই? হদিস আইআইএইচএম প্রতিষ্ঠাতার নতুন বইয়ে

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট (আইআইএইচএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা ইন্টারন্যাশনাল হসপিট্যালিটি কাউন্সিল (ব্রিটেন)-এর সিইও সুবর্ণ বসুর নতুন বই।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২১:১৪
Subarna Bose

আইআইএইচএম-এর প্রতিষ্ঠাতা সুবর্ণ বসুর বইপ্রকাশ অনুষ্ঠান। —নিজস্ব চিত্র।

নানা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-র প্রয়োগ শুরু হয়ে গিয়েছে। পড়াশোনা, গবেষণা থেকে চিকিৎসাক্ষেত্র, নানা বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নতুন নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। সেই এআই কী ভাবে আতিথেয়তা (হোটেল) এবং পর্যটন শিল্পে বিপ্লব আনতে পারে, কত সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে, তাই নিয়ে বই লিখলেন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট (আইআইএইচএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা ইন্টারন্যাশনাল হসপিট্যালিটি কাউন্সিল (ব্রিটেন)-এর সিইও সুবর্ণ বসু। সম্প্রতি গোয়ায় ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রকাশিত হল হোটেল এবং পর্যটন শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এবং সম্ভাবনা সংক্রান্ত সুবর্ণের বই ‘হর্মোনাইজ়িং হিউম্যান টাচ অ্যান্ড এআই ঘন ট্যুরিজ়ম অ্যান্ড হসপিট্যালিটি’-র।

আইআইএইচএমের ১১তম ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ং শেফ অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় সুবর্ণ জোর দেন পর্যটন এবং হোটেল শিল্পে এআই-কে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়। ওই দুই ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী ভাবে অপার সম্ভাবনা নিয়ে অপেক্ষা করছে, আইআইএইচএমের প্রতিষ্ঠাতার কথায় সে সবই উঠে এসেছে। সুবর্ণের মতে, হোটেল-সহ পর্যটন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বহুল ব্যবহার জরুরি এবং অতি সত্বর তার প্রয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘বিশ্বব্যাপী হোটেল শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যাপক ভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে। আতিথেয়তার মতো বিষয় যেখানে মানসিক মূল্যবোধ এবং আচরণ জড়িত, এআই তাকে আরও উন্নত করবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যন্ত্রের ব্যবহারেও কী ভাবে মানবিক ছোঁয়া থাকে এবং প্রযুক্তি কী ভাবে আতিথেয়তার মূল বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারে, সে নিয়েই এই আলোচনা।’’ সুবর্ণের মতে, ‘‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসলে কৃত্রিম নয়, এটা উন্নত বুদ্ধিমত্তা।’’

কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের বিষয়ে সমাজের একটি বড় অংশ এখনও তেমন অবহিত নয়। আতিথেয়তা এবং পর্যটনের মতো শিল্প, যার সঙ্গে প্রচুর মানুষ জড়িয়ে রয়েছেন, সেখানে প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারে সরকার এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত হাত মিলিয়ে আইআইএইচএম কাজ করবে বলে জানান সুবর্ণ। তাঁর বইতেও এ সবের দিক্‌নির্দেশ রয়েছে বলে দাবি লেখকের। তিনি আশাবাদী, এই বইটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক থেকে শিল্পক্ষেত্রের পেশাদার, সকলের কাছে একটি সম্পদ হিসাবে পরিচিতি পাবে। সুবর্ণের কথায়, ‘‘পর্যটন শিল্পে আতিথেয়তায় মানুষের অস্তিত্বকে অস্বীকার না করে কী ভাবে তার পরিপূরক হয়ে উঠতে পারে এআই, তারই আলোচনা করেছি।’’

গত ২ ফেব্রুয়ারি বইপ্রকাশ এবং আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল হসপিট্যালিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডেভিড ফসকেট, আইআইএইচএমের গ্লোবাল ডিরেক্টর তথা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রন্ধন মনস্তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক, রন্ধনশিল্পী নিল রিপিংটন, পদ্মশ্রী প্রাপক রন্ধনশিল্পী সঞ্জীব কপূর প্রমুখ। নিলের বক্তব্যে খেদের সুর, ‘‘যদি ৫০ পেরিয়ে যাওয়া প্রজন্ম আর বছর ত্রিশ আগে জন্মাতেন! কারণ, এই প্রজন্মের পেশাদারেরা ইতিমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিনিধি।’’

IIHM New Book
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy