Advertisement
E-Paper

নিলাম হওয়া ৯টি কয়লা খনির দরপত্র খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র

নিলাম হয়ে যাওয়া ৩৩টি কয়লা খনির মধ্যে ৯টির জন্য আসা সর্বোচ্চ দর খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র। কয়লা সচিব অনিল স্বরূপের দাবি, একই ধরনের অন্যান্য খনির তুলনায় ওইগুলিতে কয়লার দর এত কম জমা পড়ল কেন, মূলত সেই বিষয়টিই খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০১৫ ০৪:১২

নিলাম হয়ে যাওয়া ৩৩টি কয়লা খনির মধ্যে ৯টির জন্য আসা সর্বোচ্চ দর খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র। কয়লা সচিব অনিল স্বরূপের দাবি, একই ধরনের অন্যান্য খনির তুলনায় ওইগুলিতে কয়লার দর এত কম জমা পড়ল কেন, মূলত সেই বিষয়টিই খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বণ্টন বাতিল হওয়া ২০৪টি খনির মধ্যে প্রথম দু’দফায় ৩৩টিকে ইতিমধ্যেই নিলামে তুলেছে কেন্দ্র। দাম উঠেছে দু’লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। কিন্তু তা সত্ত্বেও বারবার প্রশ্ন উঠেছে ন’টি খনির জন্য জমা পড়া সর্বোচ্চ দর নিয়ে। যার মধ্যে আছে জিন্দল স্টিল অ্যান্ড পাওয়ার এবং বালকোর ‘জেতা’ খনিও। অনেকে অভিযোগ তুলেছেন, আসলে ওই খনিগুলির জন্য দরপত্র পেশের সময় নিজেদের মধ্যে যোগসাজশ করেই কম দাম হেঁকেছে সংস্থাগুলি। উল্লেখ্য, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নেওয়া অন্য খনিতে প্রতি টন কয়লার ১,১০০ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছে, সেখানে ১০৮ টাকা দাম হেঁকেই দু’টি কয়লা ব্লকে সর্বোচ্চ দরদাতা হয়েছে জিন্দল স্টিল। দামে এ ধরনের চোখে পড়ার মতো ফারাক বাকি ৭টি খনির ক্ষেত্রেও।

যোগসাজশের এই অভিযোগ নিয়ে এ দিন অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি স্বরূপ। বরং জানিয়েছেন, কোনও অনিয়ম বা কেলেঙ্কারি খুঁড়ে বার করা তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। ওই সব খনিতে দাম কেন এত কম উঠল, শুধু সেই বিষয়টিই খতিয়ে দেখতে চান তাঁরা। অবশ্য তা সত্ত্বেও ওই দু’টি খনি জিন্দল স্টিলের হাতছাড়া হতে পারে এই আশঙ্কায় এ দিন সংস্থাটির শেয়ার দর পড়েছে ৮.৫২ শতাংশ।

শিল্পমহলের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, যে খনিতে প্রতি টন কয়লার ন্যূনতম দর কেন্দ্রই ১০০ টাকায় বেঁধে দিয়েছিল, সেখানে সর্বোচ্চ দাম ১০৮ উঠলে, এখন তা খতিয়ে দেখা হবে কেন? তাঁদের দাবি, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ফের প্রশ্নের মুখে পড়বে এ দেশে লগ্নির পরিবেশ। নিলামে জিতেও খনি হাতে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা টোল ফেলবে বিনিয়োগকারীদের আস্থায়।

স্বরূপের অবশ্য দাবি, দামের অস্বাভাবিক রকম ফারাক খতিয়ে দেখার অধিকার কেন্দ্রের আছে। তা ছাড়া, সেটি দেখা না-হলে, পরে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ থাকবে। যা তাঁরা চান না। তাই তাঁরা এখনই দেখতে চান, ওই সর্বোচ্চ দাম কেন্দ্রের পক্ষেও ভাল কি না। তিনি বলেন, খতিয়ে দেখার পরে তা মনে না-হলে, সেই সব খনি ফের নিলামে তোলা হতে পারে। বা তুলে দেওয়া হতে পারে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের হাতে। দেওয়া হতে পারে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কোল ইন্ডিয়াকেও।

coal mine coal block allocation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy