জেট এয়ারওয়েজের প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন কর্ণধার নরেশ গয়ালকে বিদেশ যাওয়া থেকে আটকাল অভিবাসন দফতর। দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হল না তাঁর স্ত্রী অনীতা গয়ালকেও। 

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এ দিন দুপুর ৩টে ৩৫ মিনিটে মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমিরেটস বিমানে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল গয়াল দম্পতির। চাকাও গড়াতে শুরু করেছিল সেই বিমানের। সেই অবস্থা থেকেই বিমানটিকে ফিরিয়ে আনা হয়। নামিয়ে আনা হয় তাঁদের চারটি সুটকেস। 

এই খবর সামনে আসার পরে স্বাভাবিক ভাবেই দ্রুত জল্পনা ছড়াতে থাকে চার দিকে। অনেকের প্রশ্ন, তবে কি জেট ঘিরে ক্রমশ বাড়তে থাকা জটিলতা এড়াতে বিদেশে চলে যাচ্ছিলেন গয়াল দম্পতি? এ বিষয়ে নরেশ গয়ালের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আর কিছু খোলসা করেনি এমিরেটসও।

ঘাড়ে বিপুল দেনার দায় আর পুঁজির অভাবের জোড়া সঙ্কটে আপাতত মুখ থুবড়ে পড়েছে জেট। বন্ধ পরিষেবা। দীর্ঘ দিন ধরে বেতন পাচ্ছেন না পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার-সহ কর্মীরা। ঘটেছে কর্মী আত্মহত্যার ঘটনাও। এই পরিস্থিতিতে গত মাসে মুম্বই পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেন জেট এয়ারের কর্মী এবং অফিসারের সংগঠনের প্রেসিডেন্ট কিরণ পওস্ককর। আর্জি জানান, গয়াল এবং জেটের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্তাদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করার জন্য। যাতে দীর্ঘ দিন কর্মীদের বেতন না মেটানোর পরে তাঁরা চট করে বিদেশে চলে যেতে না পারেন।