E-Paper

নজির গড়ে পতন, আর কত নীচে নামবে টাকার দাম, উঠল প্রশ্ন

দশ দিনে পা দেওয়া এই যুদ্ধ সপ্তাহের শুরুতে সকালের লেনদেনে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলকে ঠেলে তুলেছিল ব্যারেলে ১১৯ ডলারে। বিকেলের দিকে তা কিছুটা নামলেও, রয়েছে ১০০ ডলারের কাছে। তেলের দাম যত বাড়বে, ততই আশঙ্কা বাড়বে দেশে মূল্যবৃদ্ধির হার ফের উপরে ওঠার।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ০৬:৫৭

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ইরান-ইজ়রায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ অস্থির করে তুলেছে বিশ্বকে। এর জন্য তেল-গ্যাসের দাম চড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারে। অন্য দিকে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার জেরে পড়ছে টাকার দাম। এতটাই যে সোমবার ফের তলানি ছুঁল ভারতের মুদ্রা। দিনের মাঝে প্রতি ডলার নেমেছিল ৯২.৩৫ টাকায়। পরে তা কিছুটা উঠে থামে ৯২.২১ টাকায়। এর আগে কখনও এতটা নীচে নামেনি টাকার দাম। আগের দিনের থেকে আমেরিকার মুদ্রাটির দর বাড়ল ৩৯ পয়সা। উল্লেখ্য, গত বুধবারও ডলার দিনের মাঝে ৯২.৩৫ টাকা ছুঁয়েছিল।

দশ দিনে পা দেওয়া এই যুদ্ধ সপ্তাহের শুরুতে সকালের লেনদেনে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলকে ঠেলে তুলেছিল ব্যারেলে ১১৯ ডলারে। বিকেলের দিকে তা কিছুটা নামলেও, রয়েছে ১০০ ডলারের কাছে। তেলের দাম যত বাড়বে, ততই আশঙ্কা বাড়বে দেশে মূল্যবৃদ্ধির হার ফের উপরে ওঠার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলি ভারতে শেয়ার বেচে পুঁজি তুলে নেওয়া এবং আমদানিকারীদের ডলারের চাহিদা বৃদ্ধিই টাকাকে টেনে নামিয়েছে।

আইসিএআই-এর প্রাক্তন পূর্বাঞ্চলীয় কর্তা অনির্বাণ দত্তের বক্তব্য, ‘‘অশোধিত তেলের চড়া দাম-সহ নানা কারণে ভারতের বাজার থেকে মুখ ফিরিয়েছে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলি। সরকার বেশি তেল কিনতে শুরু করেছে মজুত ভান্ডার ভরতে। এ সবই ডলারের চাহিদা বাড়িয়েছে। ফলে পড়েছে টাকার দর।’’ পটনা আইআইটি-র অর্থনীতির অধ্যাপক রাজেন্দ্র পরামানিক বলেন, ‘‘যা অবস্থা, তাতে আগামী দিনেও টাকার পতন বহাল থাকার সম্ভাবনা। সে ক্ষেত্রে ডলার উঠতে পারে ৯৫ টাকায়।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

US Dollars indian currency West Asia US-Israel vs Iran

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy