সোনা শোধন এবং গয়না রফতানিকারী রাজেশ এক্সপোর্টসের (আরইএল) তরফে রবিবার জানানো হয়েছে, তারা আগেই সেবির কাছে ৩০০-৪০০ গিগাবাইটের তথ্য জমা দিয়েছিল। তবে তাদের মনে হয়, শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সম্ভবত ওই তথ্যের মধ্য থেকে সঠিক ফাইলটি খুঁজে বার করতে পারেনি। সেই জন্যে একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, সেবি যা-যা তথ্য চেয়েছে, তার সবটা ১৫ দিনের মধ্যে আবার জমা দেবে তারা। যাতে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা যায়।
রাজেশ এক্সপোর্টস এবং তার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, গুজরাতের ব্যবসায়ী রাজেশ মেহতার বিরুদ্ধে আয়ের মিথ্যে হিসাব দাখিলের অভিযোগ তুলেছে সেবি। গরমিলের অঙ্ক ২০২০-২১ সাল থেকে পাঁচ বছরে প্রায় ১৫.১৫ লক্ষ কোটি টাকা। ভুয়ো লেনদেন, বেআইনি তহবিল হস্তান্তর, লগ্নিকারীদের থেকে তথ্য গোপনের অভিযোগও রয়েছে। বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে সেবি।
রাজেশ সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, ৩ জুন সেবির অন্তর্বর্তী নির্দেশ সংস্থার একটি ভুল হিসাবের প্রেক্ষিতে দেওয়া। যেখানে প্রতারণার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। নিয়ন্ত্রকটি আসলে ইবিআইটিডিএ (সুদ, কর, ক্ষয় এবং মূল্যহ্রাসের আগে যে আয়) খাতের সংখ্যাকে রাজস্ব ধরেছে। তাঁর দাবি, অত গিগাবাইট তথ্য দেওয়া হয়েছে মানে তা প্রায় লক্ষ লক্ষ পাতার। সেবি ঠিক তথ্য খুঁজে পায়নি বলেই একটা ধন্দ তৈরি হয়েছে। আরইএল আগেও দাবি করেছিল, তাদের হিসেবের খাতায় গোলমাল নেই। রবিবার রাজেশের বার্তা, প্রতারণা হয়নি। গোটাটাই ধন্দ থেকে তৈরি। সেবিও কঠিন কথা বলেনি। ধারণা, সন্দেহ ইত্যাদি শব্দই ব্যবহার করেছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)