রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল এবং এমটিএনএল-কে ঘুরিয়ে দাঁড় করাতে পদক্ষেপ শুরু করেছে কেন্দ্র। তারই অংশ হিসেবে বিপুল ভাবে কর্মী সংখ্যা কমাতে চাইছে তারা। গত সপ্তাহ থেকে স্বেচ্ছাবসর (ভিআরএস) প্রকল্পের আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে সংস্থা দু’টিতে। সোমবার বিএসএনএলে স্বেচ্ছাবসর নেওয়ার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা ৭০ হাজারে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির সিএমডি পি কে পুরওয়ার। 

বেতন খাতে খরচ কমাতে সংস্থার লক্ষ্য, ৭০-৮০ হাজার কর্মী-আধিকারিককে স্বেচ্ছাবসর দেওয়া। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন জানাতে পারবেন তাঁরা। আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হবে। স্বেচ্ছাবসর প্রকল্প ঘোষণার পর শুরু দিকে কয়েক হাজার করে আবেদন পড়লেও তার পর থেকে তা বাড়তে থাকে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে তা পৌঁছে যায় প্রায় ৬৩ হাজারে। এ দিন বিকেলে সিএমডি বলেন, ‘‘আবেদনকারীর সংখ্যা ৭০ হাজারে পৌঁছেছে।’’ তবে সংস্থা সূত্রের খবর, রাত পর্যন্ত সেই সংখ্যা আরও কিছুটা বেড়েছে। 

অন্য দিকে, বিভিন্ন রাজ্য সরকারের কাছে বিএসএনএল তাদের প্রাপ্য বকেয়া দ্রুত মেটানোর আর্জি জানিয়েছে। যেমন, ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্কলের সিজিএম রমাকান্ত শর্মা জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে তাঁদের প্রাপ্য প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। তবে তাঁদেরও রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার কাছে বিল বাকি প্রায় ১৭ কোটি টাকা। আগামী মার্চ পর্যন্ত সেই বকেয়া না মেটানোর এবং তত দিন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার জন্য রাজ্যের কাছে আর্জি জানিয়েছেন টেলিকম সংস্থাটি। মার্চের পরে বিদ্যুতের বকেয়া বিল চারটি কিস্তিতে মেটাতে চায় তারা। সূত্রের খবর, টেলিকমমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই বিদ্যুৎ বিল মেটানোর জন্য বাড়তি সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।