আট-দশ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে কেনা পণ্য পৌঁছনোর ঝুঁকি এবং তা না পারলে জরিমানার বিষয়টি ছিল গিগ কর্মীদের সাম্প্রতিক ধর্মঘট ডাকার অন্যতম কারণ। এমন পরিষেবা প্রাণঘাতী দাবি তুলে সময়ের কড়াকড়ি শিথিলের বার্তাও দেন ধর্মঘটীরা। হায়দরাবাদে দ্রুত পণ্য পৌঁছতে গিয়ে এমনই এক পরিষেবা সংস্থা জ়েপ্টোর ডেলিভারি বয়ের মৃত্যু ফের সেই অভিযোগ উস্কে দিল। তবে সংস্থার দাবি, তাদের সঙ্গে ওই মৃত কর্মীর কোনও সম্পর্ক নেই এবং তাদের পণ্য পৌঁছনোর পরিষেবা দিতে গিয়েও দুর্ঘটনা ঘটেনি।
সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ৫ জানুয়ারি হায়দরাবাদে এক ডেলিভারি কর্মী তাঁর বাইক থেকে পড়ে একটি বাসের নীচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এর পরে একাংশ অনলাইনে দ্রুত পণ্য পৌঁছনোর সংস্থা বা কুইক কমার্সগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলে। সমাজমাধ্যমেই মৃত ব্যক্তির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সংস্থা অবশ্য লিখেছে, ‘‘আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, ওই ব্যক্তি জ়েপ্টোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং দুর্ঘটনার সময় তিনি আমাদের হয়ে পণ্য পৌঁছতেও যাননি। ...প্রাথমিক ভুল ধারণাটি দূর করার জন্য সমস্ত তথ্য জমা দিয়েছি।’’
যদিও দুর্ঘটনার পরে তেলঙ্গানা গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ডেলিভারির সময়সীমা এবং মৃত কর্মীর জন্য সময়ে সহায়তার অভাবনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দ্রুত পণ্যপৌঁছনোর পরিষেবা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি তুলেছে। জ়েপ্টোর দাবি, তাদের সমস্ত ডেলিভারি কর্মীরা বিমার আওতায় পড়েন। যার মধ্যে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দুর্ঘটনাজনিত বিমা এবং এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমা।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)