E-Paper

এক লাফে ৫০০০ কোটি! রেকর্ড পরিমাণ চিংড়ি রফতানি পশ্চিমবঙ্গ থেকে, দাবি অমিতের

বৃহস্পতিবার বণিকসভা বেঙ্গল চেম্বারের এক সভায় অমিত জানান, রাজ্যের লক্ষ্য হল এমন পরিকল্পনা কার্যকর করা যাতে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়বে কর্মসংস্থানও।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ ০৯:৩৭
চিংড়ি রফতানিতে রেকর্ড।

চিংড়ি রফতানিতে রেকর্ড।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে গত বছর প্রায় ৫০০০ কোটি টাকার চিংড়ি রফতানি হয়েছে, জানান মুখ্যমন্ত্রী এবং অর্থ দফতরের প্রধান মুখ্য উপদেষ্টা অমিত মিত্র। বলেন, ‘‘রাজ্যে ৮০০ কিমি মজে যাওয়া খাঁড়ি সংস্কার করে বৃষ্টির মিষ্টি জল ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানেই উৎপন্ন হচ্ছে উন্নত মানের চিংড়ি। এর সুবাদে চড়ছে রফতানিও।’’

বৃহস্পতিবার বণিকসভা বেঙ্গল চেম্বারের এক সভায় অমিত জানান, রাজ্যের লক্ষ্য হল এমন পরিকল্পনা কার্যকর করা যাতে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়বে কর্মসংস্থানও। উন্নত হবে পরিকাঠামো। রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর দাবি, ওই তিনের সমন্বয়ের প্রকৃষ্ট উদাহরণ রাজ্যে চিংড়ির চাষ এবং তার রফতানি বৃদ্ধি। চিংড়ি চাষে যুক্ত মূলত মহিলা চালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। এর ফলে স্বনির্ভরতার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিবেশের কথা মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ খুব দ্রুত দূষণহীন পরিবহণ ব্যবস্থার দিকে
এগোচ্ছে। অমিত বলেন, ‘‘গত পাঁচ বছরে রাজ্যে প্রায় ২.৬৩ লক্ষ এই ধরনের যানবাহন রাস্তায় নেমেছে। সরকারি উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ৮০৫টি চার্জিং স্টেশন।’’ এর মধ্যে রয়েছে ৭৫,০০০ দু’চাকা, ১.৬৩ লক্ষের বেশি ই-রিকশা, ১৮ হাজারের মতো চার চাকা, ১৫২ বৈদ্যুতিক বাস ইত্যাদি। অমিত জানিয়েছেন, জার্মানির কেএফডব্লিউ ব্যাঙ্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ৩৭৬৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পও তৈরি হচ্ছে। রয়েছে রাজ্যের ‘জল ধরো, জল ভরো’ এবং ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প দু’টি। পরিবেশ বাঁচাতে এগুলির অবদান অনস্বীকার্য।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Prawn Export and Import

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy