ফের বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি শিল্প। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে ব্যবসায় লোকসানের মুখে পড়েছে অনেকেই। কেউ বাজার হারাচ্ছে তো, কারও উৎপাদন খরচ চড়ে গিয়েছে বিপুল। এই পরিস্থিতিতে তাদের পুঁজি জুগিয়ে সাহায্য করতে ঋণে সরকারি গ্যারান্টি প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। অনেকটা একই ধরনের সুবিধা তারা অতিমারির সময়েও এনেছিল। পরিকল্পনা কার্যকর হলে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্থাগুলির মোট ২.৫ লক্ষ টাকা ঋণের জন্য জামিনদার থাকবে সরকারের অধীন ন্যাশনাল ক্রেডিট গ্যারান্টি ট্রাস্টি কোম্পানি। একটি সংস্থার সর্বোচ্চ ১০০ কোটি টাকার ঋণে ৯০% গ্যারান্টি দেওয়া হবে। প্রকল্প রূপায়ণে বরাদ্দ হতে পারে ১৭,০০০-১৮,০০০ কোটি।
সরকারি সূত্রের দাবি, করোনাকালে২০২০-তে চালু করা ‘এমার্জেন্সি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম’ প্রকল্পটি বহু সংস্থাকে লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছিল। তবে তার আওতায় ছোট সংস্থা ছাড়াও অন্যঅনেক শিল্প ছিল। পুরো ঋণেই গ্যারান্টির ব্যবস্থা করা হয়। তা ২০২৩-এর মার্চ পর্যন্ত চালু ছিল। সেই ধাঁচেই এ বারের প্রকল্পের ভাবনা কেন্দ্রের।
সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবসার ক্ষতি হলে বা অনেক সময় সংস্থাগুলির উন্নতির জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি বা ঋণে সরকারি নিশ্চয়তার প্রকল্প চালু করা হয়। এতে ব্যাঙ্ক যে ঋণ দেয়, তাতে কেন্দ্র ‘গ্যারান্টর’ হয়। অর্থাৎ সংস্থাটি ঋণ মেটাতে না পারলে, তা মেটায় তারা। ফলে ব্যাঙ্ক থেকে গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ পাওয়া সহজ হয়। ধারের টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা থাকায় বহু ক্ষেত্রে কড়াকড়ি শিথিল করে ব্যাঙ্কগুলি। কম নেয় সুদ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)