একই রুটের বিভিন্ন বিমানের ভাড়ায় সমতা এনে যাত্রীদের যাতে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যায়, কেন্দ্রকে তা দেখতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, একইদিনে নির্দিষ্ট রুটে বিভিন্ন উড়ান সংস্থারটিকিটের দাম ভিন্ন। ইকনমি শ্রেণিতে কোনও উড়ানে ভাড়া ৮০০০ টাকা হলে, একই পথে অন্য সংস্থা ১৮,০০০ টাকা দাবি করছে। এই বৈষম্য দূর করতে নিয়ন্ত্রকের হস্তক্ষেপ করা উচিত বলে সলিসিটর জেনারাল তুষার মেহতাকে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় উৎসব ছাড়াও বিশেষ পরিস্থিতিতে চাহিদা বাড়লে উড়ানের ভাড়া আকাশছোঁয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। যদিও সংশ্লিষ্ট মহল মনে করাচ্ছে, এর আগে ভাড়া নিয়ন্ত্রণের কথা উঠলেই কেন্দ্র দাবি করেছে এই দাম বাজারের উপরে নির্ভরশীল এবং সংস্থাগুলি ঠিক করে। ফলে সরকারের কিছু করার নেই।
উল্লেখ্য, সরকারি স্তরে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে ১৯৩৭ সালের এয়ারক্রাফ্ট আইন অনুযায়ী বিমান ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের পদক্ষেপের দাবি করেচিলেন মামলাকারী। উত্তরে সলিসিটর জেনারাল জানান, পুরোনো আইন বলবৎ থাকার মধ্যেই ২০২৪ সালে ভারতীয় বায়ুযান অধিনিয়ম আইন পাস হয়েছে। তা ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন আইনে কী ভাবে ভাড়ায় নিয়ন্ত্রণ আনা যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। ওই মামলায় পরবর্তী শুনানি ১৯ জুলাই।
এ দিকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিমান জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে তেল সংস্থাগুলি। ফলে বেড়েছে বিমান ভাড়া। টিকিটের সেই চড়া দাম থেকে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে বিমান জ্বালানিতে যুক্তমূল্য কর ১৮% থেকে ৭ শতাংশে নামিয়েছে মহারাষ্ট্র। এ বার সেই ধাঁচে কেরল, কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর মতো কংগ্রেসশাসিত রাজ্যগুলিকেও কর কমাতে আর্জি জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই পথে হাঁটা উচিত বলে দাবি তাঁর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)