যাঁরা বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েও তা ফেরত দেননি,  সেই তালিকা প্রকাশ করতে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ককে কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে এই নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তালিকা প্রকাশ না করায় এই ‘শেষ সুযোগ’ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে থাকা এই তালিকা সম্বলিত রিপোর্ট প্রকাশ না করলে বিষয়টি আরও ‘গুরুত্ব’ দিয়ে দেখা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।

তথ্যের অধিকার আইনে সুভাষচন্দ্র আগরওয়াল এবং গিরিশ মিত্তলের করা একটি আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। ২০১৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই তালিকা সামনে আনতে প্রথম নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। যদিও  তার পরেও এই তালিকা প্রকাশ না করায় এই বছরের শুরুতেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে মানহানির নোটিস পাঠায় শীর্ষ আদালত।

এই তালিকায় কারা আছেন, তা জানতে চেয়ে আবেদনকারীদের তরফে দাবি করা হয়, ‘‘রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর উর্জিত পটেল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আদালতের রায় অমান্য করে এই তালিকা প্রকাশ করতে চাইছেন না।’’

আরও পড়ুন: রাফাল খুইয়ে হ্যাল বেহাল, ফুঁসছে নাশিক

বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে প্রয়োজনে তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনার  নির্দেশও দিয়েছে। তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় থাকা সত্ত্বেও এই তালিকা প্রকাশ না করায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে সতর্কও করেছে এই বেঞ্চ। এর আগে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দাবি ছিল, এই রিপোর্ট গোপনীয় এবং তা তথ্যের অধিকার আইনের বাইরে। সুপ্রিম কোর্টওবিভিন্ন ব্যাঙ্কের গোপন তথ্য সম্বলিত এই তালিকা প্রকাশে নির্দেশ দিতে পারে না বলে দাবি করেছিল দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক।

আরও পড়ুন: স্টার্ট-আপে নয়া প্রস্তাব ঘিরে প্রশ্ন

যদিও শেষ বারের মতো রিজার্ভ ব্যাঙ্কেকে এই তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট এবং এবার এই নির্দেশ না মানলে পুরো  বিষয়টি আরও ‘সিরিয়াস’ হয়ে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।