ভোটের সময়ে নগদ, সোনা ধরপাকড়ের অভিযানে বৈধ সোনাও আটক করার অভিযোগ তুলেছিল গয়না শিল্প। এ বার পেট্রল পাম্প মালিকদের সংগঠনের দাবি, তেল বিক্রির টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতে গিয়ে কোথাও কোথাও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদেরও। বৈধ আয়ের টাকা আটকে রাখছে প্রশাসন। সুরাহার জন্য নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন। না হলে তেলের জোগানে সমস্যা হবে বলে তাদের দাবি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ কোলে কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, সম্প্রতি একটি পাম্পের কর্মী তেল বিক্রি বাবদ প্রায় ২.৯৩ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতে যাওয়ার সময়ে তা আটক করে পুলিশ। ছোট থেকে বড় পাম্পগুলিতে দৈনিক তেল বিক্রি হয় গড়ে যথাক্রমে ৩-২০ লক্ষ টাকার। পরের দিন ব্যাঙ্কে তা জমা দেয় তারা। কর্মীদের হয়রানি ঠেকাতে কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন সংগঠন।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

সুরজিৎবাবু ও সংগঠনের প্রেসিডেন্ট তুষার সেনের বক্তব্য, পাম্পে এত টাকা জমিয়ে রাখা নিরাপদ নয়। তাই ব্যাঙ্ক ছুটি না থাকলে রোজই আগের দিনের বিক্রির টাকা ব্যাঙ্কে জমা করে দেয় তারা। তাঁদের দাবি, বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে কিছু বলার নেই। ব্যাঙ্কে টাকা জমা দেওয়ার নথিপত্র চাইলে, তা-ও খতিয়ে দেখতে পারে পুলিশ ও প্রশাসন। কিন্তু বৈধ টাকা আটক থাকলে তেল সংস্থার কাছ থেকে তা কিনতে সমস্যা পড়ে পাম্পগুলি।

তাঁরা বলেন, কোনও পাম্প হয়তো সংশ্লিষ্ট তেল সংস্থার থেকে দৈনিক ৮ লক্ষ টাকার তেল কেনে। বড় পাম্পের হয়তো খরচ হয় ১২-১৩ লক্ষ। আগের দিনের বিক্রির টাকা জমা পড়লে তবেই পরের দিন বৈদ্যুতিন মাধ্যমে (আরটিজিএস) সংস্থাকে তেল কেনার বরাত দেয় তারা। না হলে এত টাকা দ্রুত সঙ্কুলান করা সম্ভব নয়।