অর্থমন্ত্রীর দাবি ছিল, ভারতের বাস্তবতা মেনেই পেশ হয়েছে বাজেট। যেখানে সংস্কারের ঝোড়ো সহবাগ ইনিংস নয়, তিনি খেলেছেন সঙ্কটের সময়ে মাটি কামড়ে ক্রিজে পড়ে থাকা দ্রাবিড়ের ঢঙে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণ ফেরানোর লক্ষ্যে চেষ্টা করেছেন গরিব ও কৃষকদের আয় আর চাহিদা বাড়াতে। যাতে নিম্নবিত্তদের সামিল করে আগামী দিনে বৃদ্ধির চাকায় গতি বাড়ানো যায়। সমালোচকদের অভিযোগ, পুরোটাই রাজনীতির বাস্তবতা। দেশজোড়া ভোটের হাওয়ায় স্রেফ নজর কাড়ার ‘গিমিক’।

তবে আজ আমরা এই সব ভাল-মন্দের যুক্তিতর্কে সময় খরচ করব না। শুধু চোখ রাখব এ বারের বাজেট কাকে কী দিল আর কার থেকে কতটা নিল তার উপর।

 

বাজেট তুমি কার?

মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীরা মনে করেন বাজেট লেখা হয় তাঁদের জন্য। প্রতি বছর পেতে হবে করছাড়। না-হলেই মুখ ভার। শিল্পপতিরা মনে করেন, বাজেটের লক্ষ্য শিল্পকে মদত দেওয়া। শিল্প না-হলে মানুষ খাবে কী? ধনীদের মতে, তাঁরা বেশি কর দেন। তাই বাজেট তৈরির সময়ে অবশ্যই তাদের সুখ-সুবিধার কথা মাথায় রাখা উচিত। আর শেয়ার বাজার এবং লগ্নিকারীরা মনে করেন, বাজেটকে অবশ্যই বাজারের পাশে থাকতে হবে। না-হলে লগ্নিকারীরা পালাবে। মুখ থুবড়ে পড়বে সূচক। থমকে যাবে বিলগ্নিকরণ। শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা সহজ হবে না নতুন সংস্থার পক্ষেও। তবে বাজেট নিয়ে চিন্তিত এই সবক’টি শ্রেণিই মূলত শহুরে। আর এ বার অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এঁদের কারও কথাই তেমন করে ভাবেননি, যতটা ভেবেছেন গ্রামের উন্নয়ন নিয়ে।

বিশ্ব অর্থনীতি শোচনীয় জায়গায় পৌঁছনোয় রফতানি এখন তলানিতে। ফলে অর্থমন্ত্রী বুঝেছেন, বিদেশ নয় উৎপাদিত পণ্য বেচতে হবে দেশের অন্দরেই। যার জন্য অর্থ থাকতে হবে সাধারণ মানুষের হাতে। আর তাঁদের বড় অংশ যেহেতু গ্রামেই থাকেন, তাই দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার দাওয়াই আসলে লুকিয়ে রয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির কলজেতে। যে কারণে এ বার সেই কলজের জোর বাড়ানোতেই মন দিয়েছেন তিনি।

গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পে বরাদ্দ রেকর্ড অঙ্ক বাড়িয়েছেন। কৃষি ও কৃষক কল্যাণে বরাদ্দ করেছেন ৩৫,৯৮৪ কোটি। কারণ, কৃষির উন্নতি হলে পরনির্ভরতা কমবে। সেই সঙ্গে কমবে খাদ্যপণ্যের দাম। নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে মূল্যবৃদ্ধি। বলেছেন, ২৮.৫ লক্ষ হেক্টর জমিকে সেচের আওতায় আনা, কৃষকদের ধারের বোঝা কমাতে সুদ মকুবের জন্য ১৫ হাজার কোটির সংস্থান, লোকসান এড়াতে ফসল বিমা ও রাস্তা গড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পোক্ত করার কথা। সঙ্গে রয়েছে কৃষিপণ্য বিপণনের জন্য অনলাইনে পাইকারি বাজার চালুর প্রস্তাবও।

সুখবর আরও আছে। যার মধ্যে অন্যতম— (১) তিন বছরে প্রায় ছ’কোটি গ্রামীণ পরিবারকে ডিজিটাল প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিপুল যজ্ঞ।

(২) উনুনের আঁচ থেকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মহিলাদের রান্নার গ্যাস সংযোগ দেওয়া ঘোষণা।

(৩) ২০১৮ সালের ১ মে-র মধ্যে সব গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ।

(৪) গরিবদের মাথায় সুরক্ষার ছাতা ধরতে পরিবার প্রতি ১ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা (প্রবীণ হলে বাড়তি ৩০ হাজার)।

(৫) আগামী অর্থবর্ষে ৩,০০০ সস্তার ওষুধের দোকান খোলার প্রতিশ্রুতি।

 

মধ্যবিত্তের ঝুলিতে

এ বারের বাজেটে করের হার যেমন কমেনি। তেমন বাড়েনি করমুক্ত আয়ের অঙ্কও। তা হলে সাধারণ মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীরা কী পেলেন এর থেকে?

অল্প হলেও কিছুটা পেয়েছেন ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন এমন করদাতারা। এঁদের কর বাবদ রিবেট (৮৭ এ ধারায়) ২,০০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫,০০০ পর্যন্ত। অর্থাৎ এর পুরো সুবিধা পেলে মাসিক সাশ্রয় বাড়বে ২৫০ টাকা পর্যন্ত।

যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন অথচ বাড়িভাড়া ভাতা পান না, তাঁরা ২০১৬-’১৭ অর্থবর্ষে সর্বাধিক ২৪,০০০ টাকার জায়গায় করছাড় পাবেন ৬০,০০০ টাকার উপর। ফলে ১০ এবং ২০% করের আওতায় পড়লে ভাড়ার উপর অতিরিক্ত কর সাশ্রয় হতে পারে যথাক্রমে ৩,৬০০ টাকা (মাসিক ৩০০ টাকা) এবং ৭,২০০ টাকা (মাসিক ৬০০ টাকা)।

প্রথম বার ধার করে বাড়ি কিনলে ঋণের উপর সুদ বাবদ বাড়তি ৫০,০০০ টাকা ছাড় পাবেন। শর্ত, বাড়ি/ফ্ল্যাটের দাম ৫০ লাখের বেশি হতে পারবে না এবং ঋণের পরিমাণ থাকতে হবে ৩৫ লক্ষের মধ্যে।

ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম বা এনপিএস অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০% পর্যন্ত তোলা টাকা করমুক্ত থাকবে।

বাজেট থেকে প্রতি বছর যাঁরা অল্প-বিস্তর সুবিধা আশা করেন, সেই প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এক রকম কিছুই নেই। তবে সেই সব প্রবীণদের হয়তো কোনও কর দিতে হবে না যাঁদের আয় ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে এবং যিনি ৮০ সি ধারার পুরো সুবিধা নেবেন।

 

ছাদের আশ্বাস

এ বারের বাজেট মাথার উপর ছাদ পেতে সাহায্য করবে অনেককে। বিশেষ করে সামান্য রোজগারের অসংখ্য মানুষকে। কারণ—

সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি কম দামের ফ্ল্যাটে মকুব করা হয়েছে পরিষেবা কর।

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জন্য তৈরি আবাসনের মুনাফায় দেওয়া হয়েছে আয়করের ছাড়। এতে নামী নির্মাতারা ছোট ফ্ল্যাট তৈরিতে আগ্রহী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উৎপাদন শুল্কে ছাড় দেওয়া হয়েছে রেডিমিক্স কংক্রিটের উপর।

মন্দার বাজারে ইস্পাত এবং সিমেন্টের দাম এমনিতেই এখন অনেকটাই নীচের দিকে। তার উপর এই সমস্ত প্রস্তাবের হাত ধরে উৎপাদন খরচ প্রায় ৩ থেকে ৪% পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। এ ছাড়া, গৃহঋণে সুদের উপরেও বাড়তি ৫০,০০০ টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে প্রথম যাঁরা বাড়ি কিনবেন তাঁদের। সব মিলিয়ে অল্প পুঁজি নিয়ে ছোট ও মাঝারি মাপের ফ্ল্যাট কেনা তুলনায় সহজ হবে।

আশা করা যায় এর ফলে নির্মাণ শিল্পে চাহিদা বাড়বে। উপকৃত হবে ইস্পাত এবং সিমেন্ট-সহ বেশ কয়েকটি শিল্প। সেখানে বাড়বে কর্মসংস্থান।

 

বাজারে প্রাণ

প্রত্যক্ষ ভাবে শেয়ার বাজার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য তেমন তাক লাগানো কিছু ছিল না এ বার। তবে পরোক্ষ ভাবে তাদের কিন্তু ভালই মদত জুগিয়েছে মোদী-জেটলির তৃতীয় বাজেট। যার প্রতিফলন স্পষ্ট চোখে পড়েছে শেয়ার সূচকের চলনে। বাজেটের বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে প্রাথমিক ভাবে কিছুটা ধোঁয়াশা থাকায়, তা ঘোষণার দিন সূচক কিছুটা নামে। কিন্তু বিশ্লেষণ পর্বের শেষে পরের চার দিন বাজার উঠেছে অপ্রত্যাশিত গতিতে। প্রাক্-বাজেট পর্বে তলিয়ে যাওয়া সেনসেক্স বাজেট-সপ্তাহের বাকি চার দিনে ওঠে ১,৬৪৪ পয়েন্ট বা ৭.১৫%। বাজার বেড়েছে চলতি সপ্তাহেও। এতে অনেকটাই স্বস্তিতে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লগ্নিকারীরা। এক নজরে দেখে নেব কী কী শিকে ছিড়ল বাজারের কপালে—

অনুৎপাদক সম্পদের ভারে নুয়ে পড়া সরকারি ব্যাঙ্কগুলির জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫,০০০ কোটি টাকার মূলধন। এই বরাদ্দ অপ্রতুল মনে হলেও, এরই সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক শিথিল করেছে ব্যাঙ্কের মূলধন নির্ণয়ের নিয়ম। ফলে স্থাবর সম্পত্তি ও বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডারের একাংশকেও মূলধন হিসেবে গণ্য করা হবে। যার হাত ধরে ব্যাঙ্কগুলির মূলধনে যোগ হতে পারে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

আরবিআই আইনে বদল এনে সুদ নির্ধারণে নয়া কমিটি স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই সব প্রস্তাব ব্যাঙ্ক শেয়ারগুলিতে প্রাণ ফিরে পেতে সাহায্য করে। উদ্বুদ্ধ হয় বাজার।

চলতি বছরে রাজকোষে ঘাটতি প্রস্তাবিত ৩.৯ শতাংশে ধরে রাখতে পেরেছেন জেটলি। পাশাপাশি আগামী অর্থবর্ষে এই ঘাটতি ৩.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। বাজারের পক্ষে যা সদর্থক। এই পরিসংখ্যান অদূর ভবিষ্যতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে সুদ কমাতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আশা, আগামী অর্থবর্ষে ৫০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত সুদ কমতে পারে। বাস্তবে এটা হলে শিল্পের খরচ কমবে। বাড়বে লাভ। শেয়ার বাজার চাঙ্গা হবে। ফলে বাড়বে ফান্ডের ন্যাভও। অর্থাৎ সেই সব লগ্নিকারীর কপাল খুলবে, যাঁরা ইকুইটি বা ইকুইটি সম্পর্কিত লগ্নিপত্রে পুঁজি ঢেলেছেন।

এ বারের বাজেটে ঝুলি কিছুটা ভরেছে আবাসন শিল্পের। এই শিল্পে প্রাণ ফিরলে চাহিদা বাড়বে ইস্পাত, সিমেন্ট-সহ বেশ কিছু পণ্যের। এতে উপকৃত হবে সেই সব শিল্প। বাড়বে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির শেয়ারের দাম।

• গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে মোটা টাকা বরাদ্দ হয়েছে। গ্রামের মানুষের হাতে অর্থের জোগান বাড়লে বহু পণ্যের চাহিদা বাড়বে। ফলে সুদিনের আশা করছে মোটরবাইক, ছোট গাড়ি, এফএমসিজি, সড়ক নির্মাণ শিল্প-সহ বেশ কয়েকটি শিল্প।

 

মাথাব্যথা

হারানোর তালিকাটি হয়তো খুব বেশি লম্বা নয়। কিন্তু বেশ বেদনাদায়ক। বাজেটের পর বহু অনুযোগ-অভিযোগ শোনা গিয়েছে এগুলিকে ঘিরে।

পরিষেবা কর বেড়ে হয়েছে ১৫%। ফলে বাড়ছে রেস্তোরাঁয় খাওয়া, বিমানে চড়া, পার্লারে যাওয়া ইত্যাদি খরচ।

পাশাপাশি এর আওতায় এসেছে নতুন কিছু পরিষেবা।

সাধারণ মধ্যবিত্তকে যতটা ছাড় দিয়েছেন তা উসুল করতে ধনীদের ভাণ্ডারে হাত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। যাঁদের আয় ১ কোটি টাকার বেশি, তাঁদের দেয় করের উপর সারচার্জ ১২% থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫%।

শেয়ার থেকে ডিভিডেন্ড বাবদ ১০ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের উপর কর বসানো হয়েছে ১০% হারে।

কয়লা সেস দ্বিগুণ করায় পরোক্ষে চাপ পড়তে চলেছে মধ্যবিত্তের উপর। কারণ এর ফলে বাড়তে পারে বিদ্যুতের খরচ।

কর চেপেছে হাজার টাকার বেশি রেডিমেড জামাকাপড়ের উপরেও।

 

কপালে ভাঁজ

এ বারের বাজেটে মরিয়া চেষ্টা হয়েছে গ্রাম, গরিব ও কৃষকের ঝুলি ভরানোর। চাঙ্গা করার দাওয়াই বাতলানো হয়েছে ধুঁকতে থাকা আবাসন শিল্প ও শেয়ার বাজারকে। কিন্তু বাজেট পেশের পর অল্প রোজগেরে অসংখ্য মানুষ বিশেষ করে প্রবীণেরা ডুবে গিয়েছেন আরও দুশ্চিন্তায়। যে-সুদ কমলে শেয়ার বাজার চাঙ্গা হবে ভেবে উল্লসিত লগ্নিকারীরা, তার ভরসাতেই দিন গুজরান ওই সব সুদ নির্ভর মানুষের। সুদ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কায় কপালের ভাঁজ গভীর হয়েছে তাঁদের।

এমনিতেই গত ১৫ মাসে সুদ কমেছে ১২৫ বেসিস পয়েন্ট। ব্যাঙ্ক সুদ নেমেছে। ১ এপ্রিল থেকে ডাকঘর সঞ্চয়ের প্রকল্পে সুদ যে কমতে চলেছে তা-ও একরকম বলেই দিয়েছে কেন্দ্র। এতেই ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণদের মনে। এর পর যদি সুদ আরও তলানিতে যায়, কোথায় রেখে টাকা একটু বাড়াবেন তাঁরা? জিনিসপত্রের দাম যে-হারে বাড়ছে, তাতে ডালভাত খাওয়ার ‘বিলাসিতা’তেও তখন কাটছাঁট করতে হতে পারে। অনেকেই ভয় পাচ্ছেন, এর ফলে বেআইনি লগ্নি সংস্থার রমরমা ফের মাথাচাড়া দেবে না তো!

 

পিএফে ইউ-টার্ন

তবে বাজেটে এ বার সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ডে কর বসানোর প্রস্তাব এবং পরে তা ফিরিয়ে নেওয়া। কর্মী পিএফে জমা করা টাকা মেয়াদ শেষে সুদ-সহ ফেরতের সময় এত দিন করমুক্ত ছিল। কিন্তু বাজেটে জেটলি জানিয়েছিলেন, এর পরে পিএফের টাকা তুলে নেওয়ার সময়ে মোট ফেরতের ৬০ শতাংশের উপর কর দিতে হবে। এমনকী পিপিএফের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে এই নিয়ম।

কিন্তু জেটলি এ কথা বলার পরেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন চাকরিজীবীরা। বিরোধী দলগুলিও বিক্ষোভে গলা ফাটাতে শুরু করে। রাজনৈতিক লোকসানের কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন জেটলি। জানান, পিএফে কর বসানোর প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আগামী দিনে প্রস্তাবের সার্বিক পর্যালোচনা করা হবে।

 

লেখক বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ

(মতামত ব্যক্তিগত)