Advertisement
E-Paper

সম্পাদক সমীপেষু

সম্প্রতি কিশোরদের নিয়ে অনেক আলোচনা হল। আমার মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় কৈশোরকাল। স্কুলের পড়াশুনা করে, ঘুরে-ফিরে বেড়িয়ে আনন্দ করে বেশ কেটে যায়। স্কুলের বন্ধু এবং পাড়ার বন্ধুরা মিলে গল্প করা, খেলা করা, ছুটির দিনে কখনও কখনও সহজ সরল পিকনিক করা দিনগুলো সুখের খঁাচায় আটকে থাকে।

শেষ আপডেট: ১৮ অগস্ট ২০১৬ ০০:১০

কৈশোরের মানে

সম্প্রতি কিশোরদের নিয়ে অনেক আলোচনা হল। আমার মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় কৈশোরকাল। স্কুলের পড়াশুনা করে, ঘুরে-ফিরে বেড়িয়ে আনন্দ করে বেশ কেটে যায়। স্কুলের বন্ধু এবং পাড়ার বন্ধুরা মিলে গল্প করা, খেলা করা, ছুটির দিনে কখনও কখনও সহজ সরল পিকনিক করা দিনগুলো সুখের খঁাচায় আটকে থাকে। আমাদের সময়ে অর্থাৎ পঞ্চাশের এবং ষাটের দশকে এর স্বাদ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন এত পাল্টাল কেন? এখন আবার জন্মদিনের হিড়িকটাও বেড়ে গেছে। আমরা তো জানতাম জন্মদিন মানে মায়ের হাতের পায়েস রান্না আর প্রদীপ জ্বালানো। আর এখন কিশোররা জন্মদিনে বান্ধবীর বাড়ি লনে গিয়ে মদ খেয়ে দাপাদাপি করে মৃত্যু পর্যন্ত টেনে আনছে!

অলি বন্দ্যোপাধ্যায়। নদীকূল,
উত্তর ২৪ পরগনা

Advertisement

আরও একটু

আমার গুরু আনন্দগোপাল সেনগুপ্তের প্রয়াণের সংবাদটি (১৫-৭) পড়ে তৃপ্তি হল না। ‘ঘোড়া নিয়ে’ আনন্দদার কোনও ম্যানিয়া ছিল না। নিখিল বিশ্বাস ছিলেন সে সময়ের ঘোড়ার ড্রয়িংয়ের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। ২৪ চৌরঙ্গিতে নিত্য আড্ডাধারী শিল্পী আসামাত্রই আনন্দদা তাঁর কাছে ঘোড়ার কাঠ খোদাই শুরু করেন। এ সময়ে অনেকে কাঠের ঘোড়া উপহার পেয়েছে। ঘোড়া কর ভগবান বইটির যাবতীয় ছবি আমার নির্মাণ। ‘সমকালীন’ পত্রিকা নিয়ে আরও কিছু লিখলে ভাল লাগত। দীর্ঘ পঁচিশ বছর বিশুদ্ধ প্রবন্ধের একটি পত্রিকা তিনি চালিয়েছেন। সত্যজিৎ রায় পত্রিকাটির মলাট করে দিয়েছিলেন। যেহেতু আনন্দগোপাল সেনগুপ্ত সোশালিস্ট, জ্যোতি বসু নিজ উদ্যোগে সব রকম সরকারি বিজ্ঞাপন (যেটি পত্রিকার প্রাণভ্রমর) বন্ধ করে দেন। দায়িত্ব নিয়ে ‘রাজনীতি’ আনলাম। কারণ, সমকালীনের সঙ্গে আমি সরাসরি যুক্ত ছিলাম।

চণ্ডী লাহিড়ী। কলকাতা-৩৭

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy