উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তির যোগ্যতা নির্ণায়ক প্রবেশিকা নিয়ে অভিযোগে বিদ্ধ ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। এ বার ইউজিসি নেট পরীক্ষার্থীদের একাংশও ওই সংস্থার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ইউজিসি নেট-এর সমাজবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রে বানান ভুল ছিল, এমনকি প্রশ্ন পড়ে বুঝতে সমস্যাও হয়েছে তাঁদের। এ ছাড়াও ইংরেজি পত্রে পুরনো পরীক্ষার প্রশ্ন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ। সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সমাজমাধ্যমেও লিখেছেন তাঁরা। (যদিও সংশ্লিষ্ট পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ১৫০টি প্রশ্নের মধ্যে ৬৭টি প্রশ্ন ২০২৪-এর পত্র থেকে এসেছে। এ ছাড়াও সমাজবিজ্ঞানের পত্রে একাধিক প্রশ্নের বানান ভুল ছিল। কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্ন পড়ে নাকি বুঝতেই পারেননি তাঁরা। পরীক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, এনটিএ-র তরফে কোনও বছরই পুরনো প্রশ্ন করা হয় না। তা হলে ২০২৬-এর পরীক্ষায় এই সমস্যা কেন?
এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অনিতা রামপাল জানিয়েছেন, এনটিএ-এর তরফে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করার বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষায় ভাল প্রশ্ন তৈরি করার বিষয়ে আয়োজক সংস্থা যে অপারগ, তা এই উদাসীন আচরণ থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে।
‘জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ’ প্রদান এবং দেশের বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ নিয়োগের জন্য যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা হল ইউজিসি নেট। ওই পরীক্ষার ক্ষেত্রে একই প্রশ্ন বার বার করার বিষয়টি অর্থহীন বলেই মনে করছে শিক্ষামহলের একাংশ।
নেটাগরিকদের অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছে, যাঁরা পরবর্তী কালে কলেজে শিক্ষকতা করবেন, তাঁদের মেধা যাচাইয়ের জন্য পুরনো প্রশ্ন করার কী যুক্তি? যদিও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিএ-র তরফে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি।
এ বছরের পরীক্ষা ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পঞ্জাবের জলন্ধরের একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারেননি অনেকেই। তাঁদের নতুন করে ৫ জুলাই দুপুর ৩টে থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তার জন্য আলাদা করে নতুন অ্যাডমিট কার্ডও সংগ্রহ করতে হবে পরীক্ষার্থীদের।