কৃত্রিম মেধার ব্যবহারে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী কেন্দ্র। তাই দেশ জুড়ে এআই স্কিলিং প্রোগ্রাম শুরু হতে চলেছে। ১০ লক্ষ তরুণকে ওই কর্মসূচির অধীনে কৃত্রিম মেধার ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২০২৬-এ দেশে শুরু হতে চলেছে গ্লোবাল এআই সামিট। তার আগে রাজস্থানে আয়োজিত আঞ্চলিক এআই সামিট থেকে ওই প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু হতে চলেছে।
মঙ্গলবার ওই অনুষ্ঠান থেকেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ছোট ব্যবসা থেকে শুরু দৈনন্দিন কাজ— সবেতেই কৃত্রিম মেধার প্রয়োগ শেখা প্রয়োজন। এতে উৎপাদনের হার বৃদ্ধি পাবে, লাভবান হবেন সকলেই। তাই ১০ লক্ষ তরুণকে ওই প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে, এমনই লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স (এআই) ইনডেক্স-এর প্রথম তিনটি দেশের তালিকায় চিন ও আমেরিকার পরই রয়েছে ভারত। ওই তালিকা প্রকাশ করেছিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ওই প্রযুক্তির সাহায্যে গবেষণা, উন্নয়ন, নতুন সামগ্রী তৈরি করা কিংবা আবিষ্কার-এর ভিত্তিতে। এ সব ক্ষেত্রে ভারতীয় পড়ুয়াদের আরও সমৃদ্ধ করার জন্য ৫জি প্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রোগ্রাম সম্পর্কেও শেখার সুযোগ থাকছে।
তবে, প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গেই সাইবার অপরাধ বেড়েছে। ডিপফেক প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষের ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে অপরাধীরা। এই সমস্ত ঘটনা রুখতে কী কী করণীয়, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পাশাপাশি এ-ও জানানো হয়েছে, অপরাধ রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণের জন্য দেশ জুড়ে তৈরি হয়েছে এআই অ্যান্ড ডেটা সেন্টার। এই কেন্দ্র তৈরি করার জন্য এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।