Advertisement
E-Paper

জটিল পাঠ্যবিষয় এ বার সহজ হবে দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যমে! ‘দীক্ষা’ অ্যাপের ব্যবহার শুরু রাজ্যের স্কুলশিক্ষায়

প্রথমে মোবাইলের প্লে স্টোর থেকে ‘দীক্ষা’ নামক অ্যাপটি ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে। তার পর সেখানে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে পড়ুয়া, শিক্ষক বা অভিভাবকেরা সেটি ব্যবহার করতে পারবেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৮

— প্রতীকী চিত্র।

ইতিহাসের কোন ঘটনা কবে ঘটেছে, বা ভূগোলের বিচিত্র ভূমিরূপ আসলে ঠিক কেমন দেখতে— এ বার দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যমেই শিখে নিতে পারবে পড়ুয়ারা। আবার শিক্ষকেরাও শিখে নিতে পারবেন, কী ভাবে আরও সহজে পড়ুয়াদের বুঝিয়ে দেওয়া যায় জটিল সব বিষয়। সৌজন্যে ‘দীক্ষা’ (ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর নলেজ শেয়ারিং)।

পড়াশোনার নানা অধ্যায় কী ভাবে সহজে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা যায় ভিডিও-র মাধ্যমে, তা নিয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করতে উদ্যোগী হল রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর। পাশাপশি পড়ুয়ারা যাতে পাঠ্যবিষয়গুলি হাতের নাগালে পেয়ে যায়, সে কারণেই শুরু হল দীক্ষার ব্যবহার।

যদিও প্রাথমিক ভাবে ওই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে কেন্দ্রের কাছে অ্যাপ সরলীকরণের আবেদন করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, এই অ্যাপ তৈরি করেছে এনসিইআরটি (ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং)। ২০২৫-এর ডিসেম্বরে রাজ্য সরকার এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের নাম নথিভুক্ত করায়। তারপর থেকে জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নানা কর্মশালার মাধ্যমে ভিডিও তৈরির কাজ করে এসসিইআরটি (স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং)।

ওই দফতরের এক কর্তা জানান, ইতিমধ্যে ১৬৬টি ভিডিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলি ওই অ্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ১০০টির বেশি ভিডিও তৈরির কাজ শেষ। বইগুলি পিডিএফ আকারে রয়েছে। সেগুলির আধুনিকীকরণ প্রয়োজন বলেও জানান ওই কর্তা।

কী দেখা যাবে ওই অ্যাপটিতে?

প্রথমে মোবাইলের প্লে স্টোর থেকে ‘দীক্ষা’ নামক অ্যাপটি ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে। তার পর সেখানে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে পড়ুয়া, শিক্ষক বা অভিভাবকেরা সেটি ব্যবহার করতে পারবেন। বহু জটিল বিষয় কী ভাবে পড়ুয়াদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, শিক্ষকেরা যেমন তার প্রশিক্ষণ পাবেন। তেমনই, পড়ুয়া ও অভিভাবকেরা সহজেই বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। কিন্তু অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে জানাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।

ওই অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সারা রাজ্যের সমস্ত পড়ুয়া ও অভিভাবকের পক্ষে এটি বেশ জটিল বলে মনে করছেন অনেকেই। তাই সাধারণ মানুষ যাতে খুব সহজে অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়ে ইতিমধ্যে এনসিইআরটি-র কাছে বিষটির সরলীকরণের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।

পাশাপশি ‘দীক্ষা’কে জনপ্রিয় করতে স্কুলপড়ুয়া এবং অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতার প্রচার করার কথাও ভাবছে দফতর। দফতরের এক কর্তা জানান, বড় ভিডিও দেখার ধৈর্য অনেকেরই নেই। তাই ভিডিওগুলি ২ মিনিট দৈর্ঘ্যের মধ্যে রাখা হয়েছে।

School education department online platform
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy