Advertisement
E-Paper

অ-কৃষিক্ষেত্র থেকেই উপার্জন! তিন দশকের লক্ষ্যে শিক্ষা মানচিত্র স্থির করছে নীতি আয়োগ

ভারতের তরুণ প্রজন্মকে কাজের উপযোগী করে তুলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নই নীতি আয়োগের (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন ফর ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া) লক্ষ্য। তাই, স্কুলস্তর থেকেই পাঠ্যক্রম এমন ভাবে সাজানোর চেষ্টা চলছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতাও বৃদ্ধি করে নিতে পারেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৬:২৬
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

তরুণ প্রজন্মের শিক্ষাকে কর্মোপযোগী করে তুলতে চাইছে নীতি আয়োগ। সেই লক্ষ্যেই গঠিত হয়েছে ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ়’ কমিটি। প্রথম বৈঠকেই ২০৪৭-এর লক্ষ্যে কী ভাবে এগোনো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

২০২৬-২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে নীতি আয়োগের অধীনে এই কমিটি তৈরির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০৪৭ সালের মধ্যে সারা বিশ্বের মোট পরিষেবার ১০ শতাংশে যাতে ভারতীয় যুব সম্প্রদায়ের অংশীদারিত্ব থাকে, তারই লক্ষ্য স্থির করার চেষ্টা চলছে। এই লক্ষ্যে পঠনপাঠন, দক্ষতা বিকাশ, কর্মসংস্থান এবং নয়া উদ্যোগ গঠনের কথা ভাবতে চাইছে আয়োগ। ভারতের তরুণ প্রজন্মকে কাজের উপযোগী করে তুলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নই নীতি আয়োগের (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন ফর ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া) লক্ষ্য।

হিসাব বলছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে আইটি, কনসালটেন্সি, ফ্রন্টেনিয়ার টেকনোলজির বড় বাজার গড়ে উঠতে চলেছে। তার অন্তত ১০ শতাংশ যেন ভারতের দখলে রাখতে পারলেই বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে ভারত।

তাই, স্কুলস্তর থেকেই পাঠ্যক্রম এমন ভাবে সাজানোর চেষ্টা চলছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতাও বৃদ্ধি করে নিতে পারেন। এরই পাশাপাশি তৈরি হবে যুবসমাজের জন্য নতুন ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান।

গত ২২ মে কমিটির প্রথম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রম, বাণিজ্য, ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা, স্কুলশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। যোগ দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের প্রতিনিধিরা। শিল্প সংস্থা হিসেবে রয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন।

প্রথম বৈঠকে কী আলোচনা হলো?

নীতি আয়োগের সিইও নিধি ছিব্বরের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি মূলত যে বিষয়গুলির উপর জোর দিয়েছে তা হল—

কৃষি ক্ষেত্রের বাইরে কর্মসংস্থান তৈরি। ভারতের অধিকাংশ নাগরিক যাতে শুধু কৃষির উপর নির্ভর না করে অ-কৃষি ক্ষেত্রগুলিতেও ভাল কাজের সুযোগ পায়, তা সুনিশ্চিত করা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির ফলে চাকরির বাজারে কী কী বদল আসছে।

সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তরুণ প্রজন্ম কী ভাবে নিজেদের তৈরি করবে।

শিক্ষা, চাকরি এবং ব্যবসার জগৎ— এই তিনটিকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলার চেষ্টা করা হবে বলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

NITI Aayog
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy