Advertisement
E-Paper

‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবাদীদের দখলে’, বিজেপি কর্মী সংগঠনের জমায়েত থেকে হিন্দুত্বের স্লোগান

বুধবার অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত এক জমায়েত থেকে ওঠে হিন্দুত্ববাদী স্লোগান। উগ্র বামপন্থাকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ১৭:৫৬
অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত জমায়েত ।

অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত জমায়েত । নিজস্ব চিত্র।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও তার ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে সরাসরি দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হয় বলে মন্তব্য করেছিলেন। বিজেপি-র রাজ্যজয়ের পর সুর আরও এক পর্দা চড়াল দলের কর্মী সংগঠন।

বুধবার, বিজেপি সমর্থিত পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী পরিষদের সদস্যেরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই এক সমাবেশের আয়োজন করে। অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত ওই জমায়েত থেকে ওঠে হিন্দুত্ববাদী স্লোগান। উগ্র বামপন্থাকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পলাশ মাজি বলেন, “জাতীয়তাবাদী ভাবধারা থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছিল। এখানে রাষ্ট্রবাদী চিন্তা-ভাবনা থাকবে। বামপন্থা থাকতেই পারে। কিন্তু এখানে রাষ্ট্রবিরোধী নকশাল মাওবাদী বা উগ্র বামপন্থার ঠাঁই নেই।” তিনি দাবি করেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নকশালপন্থী মাওবাদী রয়েছে। সরাসরি ছাত্রসংগঠন আরএসএফ-এর নাম করেই নিশানা করা হয়।

অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত এক জমায়েত

অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দার কাছে আয়োজিত এক জমায়েত নিজস্ব চিত্র ।

পাশাপাশি উঠে আসে তৃণমূল সরকারের কর্মচারী বঞ্চনার প্রসঙ্গও। বাদ পড়েননি উপাচার্যেরাও। পলাশ দাবি করেন, “উপাচার্যদের দলদাসে পরিণত করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে তৃণমূল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এখন রাষ্ট্রবাদীদের দখলে। এই সব অবস্থার পরিবর্তন হবে।”

কর্মচারীদের সব রকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে বলেও জানানো হয়। স্বজন পোষণের বদলে সকলে মিলে কাজ করার বার্তা দেওয়া হয়। এ দিনের ওই জমায়েতে যোগ দিয়েছিল ছাত্রসংগঠন এবিভিপি-ও।

যাদবুপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘‘রাজনীতির কথা পরে হবে। আগে পঠনপাঠনের দিক নিয়ে সকলের ভাবা উচিত। রুসার ১০০ কোটি টাকা অনুমোদন থাকলেও ৪৭ কোটি টাকা কেন্দ্র সরকার দেয়নি। সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার ‘ইনস্টিটিউট অফ এমিনেন্স’ তকমাও দেয়নি। তাই রাজনীতি প্রথমে নয়। আগে এই সব বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে।’’

তবে, এ বিষয়ে ছাত্র সংগঠন আরএসএফ-এর কোনও বক্তব্য জানা যায়নি।

Agitation Slogan JU
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy