বয়স তো বাড়বেই। হাজার চেষ্টা করেও তাকে আটকে রাখা যাবে না। কিন্তু চেহারায় বয়সের ছাপকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া অতটাও কঠিন নয়। এর জন্য নামী ব্র্যান্ডের অ্যান্টি-এজিং ক্রিমের দরকার নেই। জটিল কোনও থেরাপিও করাতে হবে না। ঘরোয়া উপায়েই ত্বকের যত্ন নেওয়া যাবে। তবে সঠিক কিছু উপকরণ বেছে নিতে হবে।
বাড়িতেই বানিয়ে নিন অ্যান্টি-এজিং ফেসিয়াল মাস্ক। নিয়মিত ব্যবহারে জেল্লা তো বাড়বেই, সঙ্গে চেহারায় থাকবে না বয়সের ছাপ। বিভিন্ন ত্বকের জন্য বিভিন্ন মাস্ক বিশেষ কার্যকর।
শুষ্ক ত্বকের জন্য ডিম-দইয়ের ফেসপ্যাক
একটি বড় পাত্রে একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ দই, এক চামচ মধু ও এক চামচ আমন্ড অয়েল একসঙ্গে নিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন।এই মিশ্রণ গাঢ় হয়ে এলে মুখে লাগিয়ে অন্তত দশ-পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন।
চামড়া ঝুলে গেলে পেঁপের প্যাক
পেঁপেতে থাকা 'প্যাপাইন' উৎসেচক ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। মধু আর্দ্রতা বজায় রাখে। এটি ত্বককে ঝুলে পড়া থেকে রক্ষা করে। এক টুকরো পাকা পেঁপে চটকে নিয়ে তাতে এক চামচ মধু মেশান। মুখে ও গলায় ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
আরও পড়ুন:
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মুসুর ডাল বাটা ও গাজরের প্যাক
গাজর ভাল করে সেদ্ধ করে, চটকে তার পেস্ট বানিয়ে নিন। এ বার পেস্ট করা গাজরের সঙ্গে এক চামচ মুসুর ডাল বাটা ও এক চামচ মধু মিশিয়ে দিন। এই মিশ্রণ কিছু ক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এর পর মুখ ধুয়ে এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
বলিরেখার জন্য গ্রিন টি ও বেসনের প্যাক
গ্রিন টি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর, যা বলিরেখা থেকে ত্বককে বাঁচাবে। বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেবে না। এক কাপ গ্রিন টি বানিয়ে ঠান্ডা করে তাতে সামান্য বেসন ও এক চিমটি হলুদ মেশান। এটি মেখে মিনিট ২০ থেকে ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ট্যান প্রতিরোধেও উপযোগী।