Advertisement
E-Paper

পদার্থবিদ্যায় গ্রাফ বা বর্তনী চিত্রের উত্তরে মাথায় রাখতে হবে কোন বিষয়? উচ্চ মাধ্যমিকে পরামর্শ শিক্ষকের

কোন কৌশল মেনে চললে পরীক্ষায় পূর্ণমান পাওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে পরামর্শ দিলেন খানপুর হীরেন্দ্রলাল সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অসিতকুমার ধারা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৯
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক। তৃতীয় সেমেস্টারে এমসিকিউধর্মী প্রশ্ন থাকলেও চতুর্থ তথা চূড়ান্ত সেমেস্টারে থাকবে ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন। উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় দিন, ১৭ ফেব্রুয়ারি রয়েছে বিজ্ঞান শাখার পদার্থবিদ্যার পরীক্ষা। কোন কৌশল মেনে চললে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর মিলবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিলেন খানপুর হীরেন্দ্রলাল সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অসিতকুমার ধারা।

অসিত বলেছেন, “অকারণ ভয়ের কিছু নেই। পাঠ্যবিষয় ভাল করে বুঝে পড়তে হবে। প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলনের।” তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্রে ৬০ শতাংশ সহজ মানের প্রশ্ন থাকে। ৩০ শতাংশ প্রশ্ন হবে মাঝারি মানের এবং ১০ শতাংশ প্রশ্নের উত্তর মাথা খাটিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সে সব প্রশ্নকেও কঠিন বলা চলে না। উত্তর স্পষ্ট এবং সঠিক ভাবে লিখলেই পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব। প্রতি ক্ষেত্রেই যত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তার দ্বিগুণ প্রশ্ন থাকবে। অর্থাৎ, পরীক্ষার্থীরা অনেক বেশি বিকল্প পাবে নির্বাচন করার জন্য।

ক্যালকুলেটর নির্ভরতা কমাতে হবে—

তাঁর মতে, বিভিন্ন অধ্যায় থেকে সাধারণত তাত্ত্বিক ও গাণিতিক সমস্যা ভিত্তিক প্রশ্ন করা হয় পদার্থবিদ্যায়। গাণিতিক প্রশ্নাবলির উত্তর দেওয়াই সহজ বলে মনে করে শিক্ষক। তবে উত্তর দেওয়ার জন্য ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। মূলত সূত্রের উপর ভিত্তি করেই উত্তর দিতে হবে। সে জন্য বাড়িতেও ক্যালকুলেটর ছাড়া অনুশীলন করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি।

গ্রাফ আঁকার নিয়ম—

অসিত জানিয়েছেন, পদার্থবিদ্যার প্রশ্নে বিভিন্ন ধরনের গ্রাফ এবং বর্তনী চিত্র থাকে। এ ছাড়া, আলোকবিজ্ঞানে নানা প্রকারের রশ্মিচিত্র আঁকতে হতে পারে। এগুলি পেন্সিল ও স্কেল ব্যবহার করে আঁকা উচিত। প্রশ্নে উল্লেখ না থাকলেও প্রাসঙ্গিক চিত্রটি উত্তরের সঙ্গে এঁকে দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

পাশাপাশি গ্রাফের ক্ষেত্রে কোন অক্ষে কোন বিষয় নির্ধারণ করা হচ্ছে, তা অবশ্যই উল্লেখ করতেই হবে এবং একক দিতে হবে। বর্তনী চিত্রের সঙ্গে ব্যবহৃত চিহ্নগুলির একটি তালিকা তৈরি করে দিতে হবে।

রশ্মি চিত্রের রহস্য—

বিশেষজ্ঞের কথা অনুযায়ী, আলোকবিজ্ঞানে রশ্মি চিত্র আঁকার সময় জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্যগুলি বজায় রাখা উচিত। তীরচিহ্ন না দিলে সেই ছবিটি গ্রাহ্য হবে না। অতিরিক্ত ছোট এবং অপরিষ্কার ছবিতে নম্বর কম আসতে পারে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

শব্দ ব্যবহারের সতর্কতা—

যে কোনও গাণিতিক সমীকরণে কোন পদ কী বোঝায় তা লিখে দিতে হবে। গাণিতিক সমস্যার সমাধানের শেষে উত্তরটি একক-সহ লিখতেই হবে। অন্যথায় নাম্বার কাটা যাবে বলে সতর্ক করেছেন অসিত। সংজ্ঞা বা সূত্র লেখার ক্ষেত্রে আবার যথাযথ শব্দ ব্যবহার করতে হবে। তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণমান পাওয়া খুবই সহজ, যদি না প্রয়োজনীয় শব্দ বা তথ্য বাদ যায়। ডেরিভেশন বা গাণিতিক রূপ প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে শুধুমাত্র গাণিতিক অংশটি না করে কম শব্দে বিষয় সংক্রান্ত ধারণা স্পষ্ট করে দেওয়া উচিত।”

ফর্মুলা মনে রাখার শক্তি—

তাঁর পরামর্শ, বিভিন্ন গাণিতিক প্রশ্নের উত্তর করার গতি বাড়াতে হলে মূল ফর্মুলাগুলি এবং তাদের গুরুত্ব মনে রাখা দরকার। বিভিন্ন রাশির একক এবং মাত্রা আলাদা ভাবে মনে রাখতে হবে।

ভাগে ভাগে নম্বর—

কোনও একটি প্রশ্নের বিভিন্ন অংশের উত্তর আলাদা আলাদা ভাবে লিখতে হবে, কারণ প্রতি ক্ষেত্রে আলাদা নম্বর থাকে।

WBCHSE 2026 WB HS Exam 2026 HS 2026
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy