Advertisement
E-Paper

বৃহস্পতিবার মনোবিদ্যার পরীক্ষা, শেষ লগ্নে কী কী মাথায় রাখতে হবে? পরামর্শ অভিজ্ঞ শিক্ষিকার

শেষ মুহূর্তে উদ্বেগ থাকলেও পরীক্ষার ফল কী ভাবে ভাল হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন পাঠভবন স্কুলের শিক্ষিকা প্রিয়াঙ্কা দাস।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:১০
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

সাইকোলজি বা মনোবিদ্যার সঙ্গে প্রথম পরিচিতি ঘটে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরেই। সেমেস্টার পদ্ধতিতে এ বারের পরীক্ষা ১৯ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ আর ২৪ ঘণ্টাও হাতে নেই। শেষ মুহূর্তে উদ্বেগ থাকলেও পরীক্ষার ফল কী ভাবে ভাল হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন পাঠভবন স্কুলের শিক্ষিকা প্রিয়াঙ্কা দাস।

প্রিয়াঙ্কা প্রথমেই নম্বর বিভাজনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বলেছেন, “নয়া পদ্ধতিতে এ বার প্রশ্নপত্রে থাকবে চারটি বিভাগ— পার্ট এ, বি, সি এবং ডি। ২ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে পার্ট-এ-তে এবং পার্ট-বি-র ক্ষেত্রে ৩ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। প্রতি ক্ষেত্রেই তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।” প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর বড় হবে না। উত্তর সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট হতে হবে, যাকে বলা হয় ‘টু-দি পয়েন্ট’। বিশেষ করে বৈশিষ্ট্য এবং পার্থক্যের উত্তর এমন হওয়াই ভাল।

পার্ট-সি এবং পার্ট-ডি বর্ণনামূলক প্রশ্নে সাজানো। পার্ট সি-তে বরাদ্দ নম্বর ৪ এবং পার্ট ডি-তে ৬। এ ক্ষেত্রে উত্তর বড় হলেও তা সুনির্দিষ্ট হতে হবে। অর্থাৎ, প্রশ্নে যা চাওয়া তার ভিত্তিতে উত্তর লিখতে হবে। অতিরিক্ত দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত করা চলবে না। উত্তর যাতে পরীক্ষকের বোধগম্য হয়, সে কথা মাথায় রেখেই উত্তর লিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ তিনি উল্লেখ করেছেন, ফ্রয়েড-এর লেভেলস অফ মাইন্ড বা স্ট্রাকচার অফ মাইন্ড— থিয়োরি অফ পার্সোন্যালিটি, এই ধরনের প্রশ্নের। এ ক্ষেত্রে আইসবার্গ-এর ছবি আঁকলে, তা হলে নম্বর বেশি উঠবে।

এ ছাড়া, পার্থক্য লেখার ক্ষেত্রে যদি উত্তর ছক কেটে লেখা যায়, তা হলে উত্তর স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাবে, নম্বরও বেশি উঠবে বলে তাঁর মত।

প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, সেমেস্টার পদ্ধতিতে কোনও সাজেশনভিত্তিক পড়াশোনা চলবে না। পাঠ্যবই পড়তে হবে খুঁটিয়ে। বুঝে নিতে হবে প্রতি অধ্যায়ের মূল বিষয়বস্তু। পাশাপাশি, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ইতিমধ্যে বিভিন্ন অধ্যায় থেকে কত নম্বরের প্রশ্ন আসবে উল্লেখ করেছে, তাই সেই মডেল প্রশ্নের ধরন ভাল করে দেখে রাখতে হবে।

যে অধ্যায় থেকে বড় বা ছোট প্রশ্ন আসার কথা উল্লেখ করেছে সংসদ, মূল পরীক্ষাতেও তার অন্যথা হবে না। তাই সেই মতোই প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রিয়াঙ্কা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, বিভিন্ন অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কথা। মনোবিদ্যার বিহেভিয়ারাল থেরাপি, কগনিটিভ থেরাপি, র‍্যাশনাল ইমোটিভ থেরাপি, সাইকোথেরাপির লক্ষ্য, ডিসঅর্ডার, ডিসঅর্ডারের কারণ, পার্সোন্যালিটি টাইপের সমস্ত থিয়োরি, আচরণ, ব্যবহার, কুসংস্কার বিষয়গুলি পড়ে যেতে হবে। বুঝে নিতে হবে মূল বিষয়বস্তু। এই অধ্যায়গুলি থেকে কারণ, পার্থক্য, সংজ্ঞার মতো প্রশ্ন আসতে পারে।

শেষে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, অকারণে উদ্বিগ্ন থাকলে জানা বিষয়ে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাল করে খেতে হবে, ঘুমোতে হবে এবং জরুরি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখাও। আগে সহজ বা চেনা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে পরে কঠিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তা হলেই ভাল ফল সম্ভব।

WBCHSE 2026 WB HS Exam 2026 HS 2026
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy