কেটে গিয়েছে ১৬ মাসেরও বেশি সময়। উচ্চ প্রাথমিকের ১২৪১ জন প্রার্থীর কাউন্সেলিং কবে হবে, সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। রাজ্য সরকারও নীরব। এরই মধ্যে ফের পথে নেমে আন্দোলনে যোগ দিলেন কাউন্সেলিংয়ে ডাক না পাওয়া প্রার্থীরা। মাঝ রাস্তায় হামাগুড়ি দিয়ে বিক্ষোভ দেখলেন তাঁরা।
নবান্ন অভিযানের ডাক দিলেও বুধবার বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা শিয়ালদহ থেকে মিছিল শুরু করে এসএন ব্যানার্জি রোড হয়ে মাতঙ্গিনী হাজরা মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত যান। ২০১৬ বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী আজ়হার শেখ বলেন, “ উচ্চ প্রাথমিকের যে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছিল তাতে উল্লেখ করা ছিল ১৫ দিন আগে সংশোধিত শূন্যপদের সংখ্যা জানানো হবে। সে নিয়ম মেনে নিয়োগ করা হলে শূন্যপদ অনেকটাই বাড়ত, ওয়েটিং লিস্টে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পেতাম। কিন্তু তা হল না।”
এ দিনের মিছিল থেকে দাবি ওঠে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের। মিছিলে উপস্থিত চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেন, তাঁরা প্রাথমিক ভাবে ইন্টারভিউয়ে ডাক পেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯-এ সেই প্যানেল বাতিল হয়ে নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেয় আদালত। তার পর আর তাঁরা ডাক পাননি।
আরও পড়ুন:
প্রায় ৫৪০১ জন প্রার্থী বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি। ২৮ অগস্ট ২০২৪ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছিল মেধাতালিকায় থাকা ১৪,০৫২ জনের নিয়োগ সুনিশ্চিত করতে হবে। তার পরই আট দফায় ১২,৭২৩ জনের কাউন্সেলিং সম্পন্ন করেছে এসএসসি। শেষ বার অষ্টম দফার কাউন্সেলিং সম্পূর্ণ হয়েছে গত ১ অগস্ট।
অসীমা বিশ্বাস নামে এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, “১০ বছর ধরে উচ্চ প্রাথমিকে কোনও পরীক্ষা হয়নি। আমাদের প্রত্যেকের বিএলএড এবং ডিএলএড ট্রেনিং রয়েছে, আমাদের না নিয়ে কেন নতুন পরীক্ষার্থীদের নেওয়া হচ্ছে? ১০ বছর ধরে বঞ্চিত হয়ে এসেছি আমরা। অনেকেরই বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। আমরা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির শিকার।”