২১ জানুয়ারি থেকে জয়েন্ট এন্ট্রানস্ এগ্জ়ামিনেশন (জেইই) মেনস-এর পরীক্ষা শুরু হয়েছে। দু’দিনের মধ্যেই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়া নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক। যদিও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-র (এনটিএ) তরফে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আয়োজক সংস্থা জানিয়েছে, এই বছরের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি। বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে এই বিষয়ে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে।
এর আগেও পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়াকে কেন্দ্র করে আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা। তাই ২০২৬-এর পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরেই তাঁদের সতর্ক করতে বিশেষ বিবৃতি প্রকাশ করেছে এনটিএ।
এ ছাড়াও পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের কী কী নিয়ম মানতে হবে, তা-ও বিধি আকারে প্রকাশ করেছে আয়োজক সংস্থা।
- পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড, আধার কার্ড, দু’টি ছবি (যা পরীক্ষার ফর্ম পূরণের সময় ব্যবহার করা হয়েছিল), সচিত্র পরিচয়পত্র থাকা প্রয়োজন।
- এ ছাড়াও, আধার কার্ডের বায়োমেট্রিক যেন পরীক্ষার দিনগুলিতে ‘লক’ না করা থাকে। কারণ, ওই নথির তথ্যের সঙ্গে অ্যাডমিট এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র যাচাই করা হবে।
- বায়োমেট্রিক রেকর্ড না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের হলে যেতে দেওয়া হবে না। রিপোর্টিং টাইমের অন্তত এক ঘণ্টা আগেই পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে হবে।
- ‘অ্যাটেন্ডেন্স শিট’-এ পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষর, বাঁ হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের ছাপ, এবং ছবি পরিষ্কার ভাবে থাকা প্রয়োজন। অস্পষ্ট হাতের লেখা কিংবা অপরিষ্কার ছবি থাকলে চলবে না।
- প্রতিদিন কম্পিউটার বেস্ড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা চলবে। শুধুমাত্র ড্রয়িং টেস্ট-এর দিন পরীক্ষার্থীরা জ্যামিতি বাক্স নিয়ে আসতে পারবেন।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি নিয়ে স্নাতকে ভর্তির জন্য প্রতি বছরই জেইই মেন-এর আয়োজন করে এনটিএ। জেইই মেন-এর প্রথম পর্বের পরীক্ষা হবে ২১ থেকে ৩০ জানুয়ারি।